Home » আজ থেকে নতুন ভবনে শুরু সংসদের বিশেষ অধিবেশন, সাংসদদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার

আজ থেকে নতুন ভবনে শুরু সংসদের বিশেষ অধিবেশন, সাংসদদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ সেপ্টেম্বরঃ  ১৯ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার পুরনো সংসদ ভবনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানিয়ে নতুন সংসদ ভবনে শুরু হবে বিশেষ অধিবেশন। এদিন যৌথ অধিবেশন শুরুর আগে পুরনো সংসদ ভবনে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-সহ সকল সাংসদদের গ্রুপ ফটো তোলা হয়। তারপর এদিন বেলা ১১টা নাগাদ যৌথ অধিবেশন শুরু হয়। ১১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ পুরানো সংসদ ভবনকে বিদায় জানাবেন সকল সাংসদ। জানা গিয়েছে, নতুন সংসদ ভবনে সাংসদদের জন্য এবার একাধিক চমক থাকছে। মঙ্গলবার অধিবেশনে যোগ দিতে আসা প্রত্যেক সাংসদের জন্য থাকবে বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা। এদিন সাংসদরা নতুন সংসদ ভবনে এলে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হবে উপহারের একটি ব্যাগ। সেই ব্যাগে থাকছে ভারতের সংবিধানের একটি অনুলিপি, সংসদ সম্পর্কিত একটি বই, একটি স্মারক মুদ্রা এবং একটি স্ট্যাম্প। সংসদ কর্মচারীদের পোশাকও বদল করা হয়েছে। নতুন সংসদ ভবনে নতুন বেশে তাঁদের দেখা যাবে।

জানা গিয়েছে,নতুন ভবনে বিভিন্ন কাজে যুক্ত কর্মচারীদের পোশাকের ডিজাইন আলাদা হতে চলেছে। সংসদ কর্মীদের ইউনিফর্ম ডিজাইন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্যাশন টেকনোলজিকে। সূত্রের খবর, সংসদের পুরুষদের জন্য থাকবে ক্রিম রঙের শার্ট ও খাকি প্যান্ট। আর মহিলাদের জন্য জামা ও শাড়িতে পদ্মফুল আঁকা থাকবে। কেননা পদ্ম বিজেপির দলীয় এবং নির্বাচনী প্রতীক। অন্যদিকে, খাকি প্যান্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের পোশাক হিসাবে বিখ্যাত। এছাড়াও সংসদের দুই কক্ষ অর্থাৎ রাজ্যসভা এবং লোকসভার মার্শালদের মাথায় মণিপুরি টুপি শোভা পাবে বলেও জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন    অপহৃত ও খুন হওয়া সেনার দেহ নিতে অস্বীকার স্ত্রীর

প্রসঙ্গত, ১৮ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ সোমবার থেকে পুরনো ভবনেই শুরু হয়েছিল সংসদের বিশেষ অধিবেশন। এটাই ছিল পুরনো সংসদ ভবনের শেষ অধিবেশন। এদিন বিশেষ অধিবেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই অধিবেশন আয়তনে ছোট হলেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একাধিক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে এই বিশেষ অধিবেশনে। এরপরই পুরনো সংসদ ভবন প্রসঙ্গে আবেগঘন হয়ে মোদি বলেন, ‘ইতিহাসকে স্মরণ করে আমরা এই ঐতিহাসিক ভবন থেকে বিদায় নিচ্ছি। পুরনো ভবন আগে ইমপেরিয়াল লেজিসলেটিভ কাউন্সিল ছিল। স্বাধীনতার পরে তা সংসদে পরিণত হয়। ব্রিটিশরা সংসদ তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেও, আমরা গর্বের সঙ্গে বলতে পারি এই সংসদ গঠনের শ্রম, অর্থ, বল আমাদের দেশবাসীর ছিল। এই ৭৫ বছরে সবথেকে বড় সাফল্য হল গণতন্ত্র, সংসদের প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস বেড়েছে। আমাদের এই বিশ্বাস সর্বদা ধরে রাখতে হবে। এই সংসদ ভবনে সন্ত্রাসবাদী হামলাও হয়েছে। যারা জনপ্রতিনিধিদের রক্ষা করতে নিজেদের বুকে গুলি খেয়েছিলেন, তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। নতুন সদনে আমরা যাব ঠিকই, কিন্তু এই ভবনও আগামী প্রজন্মকে প্রেরণা দেবে।’

About Post Author