Home » পূর্ব বর্ধমানের আদিবাসী মেয়ে খুনের সুবিচার চেয়ে প্রতিবাদ মিছিল

পূর্ব বর্ধমানের আদিবাসী মেয়ে খুনের সুবিচার চেয়ে প্রতিবাদ মিছিল

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ অগাস্ট : বারোদিন কেটে গিয়েছে। আরজিকর হাসপাতাল কাণ্ডে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও মৃত্যুর অপরাধীদের ধরতে এবং সুবিচার চেয়ে প্রতিবাদের আগুন ছড়িয়েছে রাজ্য ছাড়িয়ে সারা দেশে, এমনকি দেশের বাইরেও। ৯ অগাস্ট হওয়া নারকীয় ঘটনার পাঁচ দিন পরে ১৪ অগাস্ট ঘটনার প্রতিবাদে  রাত দখল করতে নেমেছিল মেয়েরা। সেদিন রাতেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মেয়েদের ওপরে অত্যাচার থেমে থাকেনি। থেমে থাকে নি মহিলা খুনের ঘটনা। সে রাতেই পূর্ব  বর্ধমানে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে নান্দুর গ্রামে উদ্ধার হয় এক তরুণীর গলা কাটা দেহ। তরুণী নান্দুরের ঝাপানতলার  দু’বছর আগে ব্যাঙ্গালুরুর শপিং মলে কাজ করতে যান। ১২ অগাস্ট বাড়ি ফেরেন তিনি। সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে শৌচকার্য করতে  ঘর থেকে বার হন। তিনি না ফেরায় খোঁজাখুঁজির পরে বাড়ির অদূরে তাঁর গলা কাটা দেহ পাওয়া যায়। আর এই ঘটনায় এখনো অপরাধী অধরা। আদিবাসী মেয়ে খুনের প্রতিবাদে দিকে দিকে মিছিল সংগঠিত হচ্ছে।

আদিবাসী মেয়ের খুনের অপরাধীদের ধরার ও সুবিচারের দাবিতে পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়েছে আদিবাসী সমাজের পক্ষ থেকে। আসানসোলের বি এন আর মোড় থেকে ধামসা মাদল নিয়ে মিছিল করা হয়। আসানসোল বি এন আর মোড় থেকে মিছিলটি শুরু করে এস ডি ও অফিসে গিয়ে শেষ হয় মিছিল । মিছিলে প্রচুর আদিবাসী সমাজের মহিলা পুরুষ যোগদান করেন। আদিবাসী সমাজের পক্ষ থেকে মতিলাল সোরেন বলেন, পূর্ব বর্ধমানের আদিবাসী মহিলার মৃত্যুর দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।এছাড়া রাজ্যে ও দেশে নারী নির্যাতনের  ঘটনাগুলির সুবিচার চাওয়া হয়েছে।

আরজিকর হাসপাতাল কাণ্ডের প্রতিবাদ ছাড়াও আদিবাসী তরুণীর খুনের প্রতিবাদে  দক্ষিণবঙ্গের  একাধিক জায়গায় মিছিল সংগঠিত হচ্ছে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে। এদের মধ্যে রয়েছে আদিবাসী ও দলিতদের  অন্যতম রাজনৈতিক সংগঠন আইএসএফ। আইএসএফ আদিবাসী মেয়ে খুনের  প্রতিবাদে সুবিচার চেয়ে বুধবার পথে নামে।

আরও পড়ুন জৈন আচার্য চন্দনার পথ ধরে ২৪ বছরে সংসার ছাড়ছেন মানবী আঞ্চলিয়া

About Post Author