সানী রায়, সময় কলকাতা উত্তরবঙ্গ প্রতিনিধি :স্বাস্থ্য পরিষেবায় আধুনিকীকরণে জোর দেওয়া হবে,ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে এমনটাই জানালেন সদ্য নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক নরেশ রায়।শনিবার তিনি ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এদিন তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ধূপগুড়ি ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক অঙ্কুর চক্রবর্তী এবং ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালের সুপার নিয়াজ আহমেদ।
হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় বিধায়ক রোগী ও তাঁদের আত্মীয়-পরিজনদের সঙ্গে কথা বলেন। হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা, বেডের অবস্থা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সহ বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলে পরিষেবার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন।
এদিন হাসপাতালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি যেখানে নোংরা আবর্জনা জমে রয়েছে বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে, সেই এলাকাগুলিও পরিদর্শন করেন বিধায়ক। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নরেশ রায় জানান, হাসপাতালের এখনও বেশ কিছু সমস্যার সমাধান হওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, “হাসপাতালে রোগীদের তুলনায় বেডের সংখ্যা কম। ফলে রোগীর চাপ বাড়লে এক একটি বেডে দু’জন বা তিনজন রোগীকেও থাকতে হচ্ছে। এছাড়াও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রেও ঘাটতি রয়েছে। রোগী ও তাঁদের আত্মীয়-পরিজনদের যে ধরনের পরিষেবা পাওয়ার কথা, তাও অনেক ক্ষেত্রে সঠিকভাবে মিলছে না। হাসপাতালের পরিকাঠামোর আরও উন্নয়ন ও আধুনিকীকরণের প্রয়োজন রয়েছে।”
বিধায়ক আরও বলেন, “এই সমস্ত বিষয় নিয়ে আমরা চিন্তাভাবনা করব এবং রাজ্য সরকারকেও জানানো হবে। হাসপাতালকে আরও উন্নত ও পরিষেবামূলক করে তোলার জন্য আমরা সচেষ্ট থাকব, যাতে সাধারণ মানুষ এখানে এসে সঠিক চিকিৎসা পরিষেবা পান। সেই কারণেই আজ মহকুমা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছি। রাজ্যের বিভিন্ন ব্লকে আমাদের বিধায়কেরা হাসপাতাল পরিদর্শন করছেন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা জানার চেষ্টা করছেন। আজ এখানেও রোগীর আত্মীয়-পরিজনরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা আমাদের জানিয়েছেন। আমরা বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে দেখব।”


More Stories
ব্যাঙ্ক গিয়ে নিখোঁজ, ক্লাব থেকে উদ্ধার গৃহবধূর দেহ
বারুইপুর : জমা-খরচ, দৈব বিচার এবং এনকাউন্টার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিক্রিয়া কী?
বারুইপুর ‘এনকাউন্টার’: কর্মের ফল নাকি “সকালে জমা, বিকেলে খরচ!”