সময় কলকাতা ডেস্ক, ১ সেপ্টেম্বরঃ কলকাতায় ফের শ্যুটআউট। খাস নিউটাউনে চলল গুলি। দুষ্কৃতিদের গুলিতে মৃত্যু ব্যবসায়ীর। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ব্যবসায়ী। গুলি করে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেন দুষ্কৃতিরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। আরজি কর কাণ্ডে উত্তাল মহানগরী। সেখানে এই ধরনের গুলি চলার ঘটনা রাজ্যবাসীর নিরাপত্তাকে ফের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: কর্তব্যরত নার্সকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, এক রোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ বীরভূম হাসপাতালে
মগড়া, আসানসোলে শ্যুটআউটের পর এবার ঝাঁ চকচকে নিউটাউনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাত ১০টা নাগাদ রামমন্দির আইল্যান্ডের কাছে দোকানে বসেছিলেন নাসিরউদ্দিন খান। পেশায় ব্যবসায়ী নাসিরউদ্দিন ইটভাটার মালিক। সেই সময় বাইকে করে দুজন দুষ্কৃতী ঘটনাস্থলে হাজির হয়। আগ্নেয়াস্ত্র বার করে একাধিক গুলিতে বিদ্ধ করেন ব্যবসায়ীকে। কারা সেই দুষ্কৃতী? খুনের কারণ কী? এখনও কিছুই জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বিধাননগর গোয়েন্দা থানার পুলিশ। স্থানীয়দের বয়ানও নিয়েছে পুলিশ। দুস্কৃতির খোঁজে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তাঁরা। সন্দেহভাজনের তালিকায় রয়েছে অনেকেই।
আরও পড়ুন: রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষপদে ব্যাপক রদবদল, সেচ ও জল সম্পদ উন্নয়ন দফতরের সচিব করা হল রোশনি সেনকে
ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার নিজের এক্সে হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “এটা পশ্চিমবঙ্গ নাকি পাকিস্তান! এক ব্যবসায়ী মাঝরাস্তায় খুন হয়ে গেল, পুলিশ এখনও কাউকে ধরতে পারলো না।” ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে রবিবার একজনকে ইতিমধ্যে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়ছে, তিনি ব্যবসায়ীর বন্ধু। নাম পরাগ। মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে নাসিরউদ্দিনের সঙ্গে একাধিক ব্যবসায় অংশীদারিত্ব ছিল পরাগের। শেষ কয়েক মাস ধরে পরাগের সঙ্গে পঞ্চাশ লক্ষ (৫০,০০০০০) টাকার হিসাব নিয়ে মতবিরোধ চলছিল মৃত ব্যবসায়ীর।


More Stories
ধৃত ৭, বিজেপি জেলা সভাপতিকে মেরেছিল কারা?
কলকাতার বুকে গ*ণধ*র্ষণ
পুলিশের জালে পলাতক ও অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন