Home » Tea Garden Workers Bonus: চা শ্রমিকদের ১৬ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়া হোক, বাগান মালিকদের আবেদন রাজ্যের

Tea Garden Workers Bonus: চা শ্রমিকদের ১৬ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়া হোক, বাগান মালিকদের আবেদন রাজ্যের

সানী রায়, সময় কলকাতা, ১ অক্টোবরঃ শ্রমিকদের ২০ শতাংশ বনাম মালিকদের ১৩ শতাংশ। পুজোর বোনাস নিয়ে দার্জিলিংয়ের চা বাগানগুলিতে কার্যত ‘দরাদরি’ চলছে। কয়েকবার আলোচনা করেও সমাধান মেলেনি। শেষমেশ মধ্যস্ততা করল শ্রম দফতর।

১৩ শতাংশ নয়, ২০ শতাংশও নয়। মালিক-শ্রমিকদের ‘দরাদরি’র মাঝামাঝি অঙ্ক রেখে চা বাগানের বোনাস জট কাটাল শ্রমদফতর। মঙ্গলবার লেবার কমিশনের তরফে চা শ্রমিকদের ১৬ শতাংশ হারে চা শ্রমিকদের পুজোর বোনাস দেওয়ার কথা জানানো হয়।  ৪ অক্টোবরের মধ্যে যাতে চা শ্রমিকরা বোনাস পান, তাও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ১৩ শতাংশ হারেই পুজোর বোনাস দেওয়ার ক্ষেত্রে অনড় মালিকপক্ষ। তবে শ্রমিকদের দাবি ছিল, ২০ শতাংশ হারে বোনাস দিতে হবে। ২০ শতাংশ বোনাসের দাবিতে সোমবারই ১২ ঘণ্টার পাহাড় বনধ ডেকেছিল দার্জিলিং-কালিম্পং ও কার্শিয়াঙের চা শ্রমিকদের আটটি সংগঠন। বনধকে ঘিরে বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনাও ঘটে। সমস্যায় পড়েন পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া Tea Garden Workers Bonus পর্যটকরা। পুজোর মুখে যা পর্যটন ব্যবসাকে যথেষ্ট ক্ষতির মুখে ফেলেছে। মঙ্গলবার সকালে উত্তরবঙ্গেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বনধকে যে তিনি কোনওভাবেই সমর্থন করেন না, পাহাড় থেকে নেমে এসে স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি কোনও হস্তক্ষেপ করবেন কিনা জানতে চাওয়া হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের বিষয়টির সমাধান হবে। তরাই-ডুয়ার্স হয়ে গিয়েছে, পাহাড়ও হবে।

আরও পড়ুনঃ প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, ইডির পর এবার সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার পার্থ চট্টোপাধ্যায়

এর পরই পদক্ষেপ গ্রহণ করে নবান্ন। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের শ্রম দফতর, চা বাগানগুলির মালিক পক্ষ ও শ্রমিক সংগঠনের ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের পর রাজ্য ১৬ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার আবেদন জানায়। বাগানগুলির আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করার জন্য প্রথম থেকেই রাজ্যকে আবেদন জানিয়ে আসছিল মালিকপক্ষ। এরজন্য ৮.৩৩ শতাংশের বেশি বোনাস দিতে রাজি হচ্ছিলেন না তাঁরা। পাল্টা চাপ রেখে ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার দাবি করছিলেন শ্রমিকরা। এই পরিস্থিতিতেই মঙ্গলবার ১৬ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার জন্য আবেদন জানাল রাজ্য সরকার। এছাড়া শ্রমিকদের আরও যা যা দাবি ছিল, সেসবও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে। যেমন চা বলয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, রুগ্ন চা বাগানগুলিতে গুরুত্ব দেওয়া-সহ একাধিক বিষয় নজর রাখার কথা বলা হয়েছে। কোনওরকম সমস্যা হলে পুজো পরবর্তী বৈঠকে ফের এনিয়ে আলোচনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে শ্রমদফতর।

About Post Author