সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ নভেম্বর: প্রথমে ট্রাম, এবার হলুদ ট্যাক্সি। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পাড়ার অভিযোগে একেরপর এক বিলুপ্তির পথে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী যানবাহনগুলি। হলুদ ট্যাক্সি। গত কয়েক দশক ধরেই কলকাতার চেনা এক আইকন এই হলুদ ট্যাক্সি। এই ট্যাক্সিতে চড়ে ঘুরে বেরিয়েছে কলকাতার কত প্রেমিক-প্রেমিকারা। শহরের পথঘাটে এই যানটির গতিবিধি যে কলকাতার স্পন্দন হয়ে উঠেছে বহুদিন ধরে, তা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। এই আবেগের হলুদ ট্যাক্সি কি হারিয়ে যাবে? দিনে দিনে এয়ার কন্ডিশনার ওলা, উবেরের জামানায়, যাত্রী টানার দৌড়ে পিছিয়ে পড়েছে হলুদ ট্যাক্সি। ফলে সেই হয়তো আসতেই চলেছে যখন ট্রামের মতোই মুছে শহরের বুক থেকে ফেলা হবে ওঁকে!

আরও পড়ুনঃ Border Gavaskar Trophy: অনুশীলনে ফিরলেন শুভমন, অ্যাডিলেডে চার বছর আগের লজ্জা ভুলতে মরিয়া ভারত
সূত্রের দাবি, বিশ্বের বুকে করোনা ভাইরাস ও লকডাউন আসার আগে এই কলকাতায় ইউ হলুদ ট্যাক্সি চলত প্রায় আঠেরো হাজার। আজ তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজারে! আসলে লকডাউনের ধাক্কায় বহু ট্যাক্সির মালিকই গাড়ি বেচে দিয়ে অন্য ব্যবসায় চলে গিয়েছেন। পাশাপাশি ১৫ বছরের অনেক বেশিই বয়স হয়ে গিয়েছে অধিকাংশ গাড়ির। ফলে ক্রমেই একের পর এক বসে যাচ্ছে অ্যাম্বাসাডর। আর ওই কোম্পানিও নতুন করে গাড়ি তৈরি করছে না। এই বছরের শেষে একলাফে বসে যাবে প্রায় সাড়ে চার হাজার হলুদ ট্যাক্সি! এই কারণেই হলুদ ট্যাক্সির অস্তিত্ব সংকটে, একথা ভাবা ভুল হবে না!
সম্প্রতি হলুদ ট্যাক্সিকে বাঁচাতে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে চিঠি লিখেছেন ট্যাক্সি চালকরা। পনেরো বছরের নিয়ম মেনে এই ট্যাক্সি বসে গেলেও তাঁদের দাবি, ওই পারমিটে নতুন গাড়ি নামাতে দেওয়া হোক। তার রংও হোক হলুদ। সংগঠনের আহ্বায়ক নওয়ালকিশোর শ্রীবাস্তব বলেছেন, “হলুদ ট্যাক্সির সঙ্গে কলকাতার নস্ট্যালজিয়া জড়িয়ে রয়েছে। ফলে এটাকে উঠিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।


More Stories
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
বিজেপিকে একমাত্র রুখতে পারেন দিদি : অখিলেশ যাদব
এবার কলকাতায় পাঁচজায়গায় একযোগে সিবিআই হানা