সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ ডিসেম্বরঃ বাম-কংগ্রেস জোট বেঁধে রাজ্যে ভোট লড়লেও তেমন সাফল্য আসেনি। গত লোকসভা নির্বাচনেও দুই দলের নেতৃত্ব যথেষ্ট আশা করেছিলেন। কিন্তু ভোটের ফলপ্রকাশে দেখা যায় জোট এবারেও মুখ থুবড়ে পড়েছে। কেবল মালদহ থেকে একটি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। বহরমপুর কেন্দ্রে হেরে যান খোদ অধীর চৌধুরী। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই দুই দলের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছিল বলে মনে করছিল রাজনৈতিক মহলের একাংশ। দুই দলই ধীরে চলো নীতি নিয়েছে আগামীর রাজনৈতিক সম্পর্কে। সেই আবহে এবার কংগ্রেসিদের সম্পর্কে দলের সংবাদপত্রে ৯০-এর দশকের শব্দ বন্ধ ফিরে এল।
সিপিএম পার্টির সংবাদপত্রে তৃণমূল ও বিজেপির সঙ্গে একই বন্ধনীতে ফেলা হল কংগ্রেসকে। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে সিপিএমের আক্রমণ স্বাভাবিক। কিন্তু শনিবার পার্টির সংবাদপত্র গণশক্তি পত্রিকার দ্বিতীয় পাতায় ‘প্রকাশ্য সমাবেশে স্মরণ ৫২ শহিদ’-কে শীর্ষক খবরে তৃণমূল ও বিজেপির পাশাপাশি কংগ্রেসি গুন্ডাদের কথা লেখা হয়েছে। জানিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ এবার থেকে মন্ত্রীদের বেসরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে লাগবে মুখ্যমন্ত্রীর ছাড়পত্র! নবান্নের কড়াকড়ি
গণশক্তিতে লেখা হয়েছে, ‘১৯৫৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত লড়াই সংগ্রামে কংগ্রেস, তৃণমূল ও বিজেপির গুন্ডাদের হাতে যে সব কমরেড কে শহিদদের মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে তাঁদের পরিবারের অনেকেই এদিন উপস্থিত হয়েছিলেন।’ রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, ২০১৬ থেকে এ রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে বিভিন্ন নির্বাচনে লড়ছে সিপিএম তথা বামফ্রন্ট। যদিও নির্বাচনী যুদ্ধে সিপিএম ও কংগ্রেসের ভোট তলানিতে। অধীর চৌধুরি প্রদেশ সভাপতি থাকাকালীন সিপিএম-কং জোট হয়েছিল। গত ছয়টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট হয়নি সিপিএমের। আর তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রদেশ সভাপতির পদে এখন শুভঙ্কর সরকার। উপনির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট না হওয়ায় দূরত্ব নিয়ে এমনিতেই জল্পনা রয়েছে।


More Stories
যোগা, নামাজ, রেডরোড ও “হরিদাস পাল”
অভিষেক আসতেই দুই-দলে খণ্ডযুদ্ধ, বিমানবন্দরে আতঙ্কে যাত্রীরা!
ধাক্কা তৃণমূলে, জ্যোতিপ্ৰিয় মল্লিক দলীয় সব পদ থেকে ইস্তফা দিলেন