Home » ‘অভিযোগ ভিত্তিহীন, নিঃশর্তে ক্ষমা চান’, জন বার্লাকে আইনি নোটিস শুভেন্দুর

‘অভিযোগ ভিত্তিহীন, নিঃশর্তে ক্ষমা চান’, জন বার্লাকে আইনি নোটিস শুভেন্দুর

সময় কলকাতা ডেস্ক:- বৃহস্পতিবার জার্সি বদলে ফেলেছেন বিজেপি-র উত্তরবঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ জন বার্লা। বৃহস্পতিবার তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। তৃণমূল ভবনে দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি ও মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে শাসকদলে যোগদান করেন আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন সাংসদ জন বার্লা। আর ফুলবদল করেই একসময়ের সতীর্থ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন জন বার্লা। ওই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তাই প্রাক্তন সাংসদ বার্লাকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু। ক্ষমা না চাইলে আইনি পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

শুভেন্দু এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, কোনও প্রমাণ ছাড়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন বার্লা। সে কারণে বার্লাকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দাবি, আগামী সাতদিনের মধ্যে নিঃশর্তভাবে ক্ষমা চাইতে হবে। দাবিপূরণ না হলে সদ্য তৃণমূলে যোগদানকারী বার্লার বিরুদ্ধে দেওয়ানি এবং ফৌজদারি আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন শুভেন্দু।

যদিও, বিজেপিকে কটাক্ষে বিঁধতে ছাড়েনি শাসকশিবিরও। শুভেন্দুকে পাল্টা জবাব তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের।

কুণাল ঘোষ বৃহস্পতিবারই বলে দিয়েছিলেন, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে উত্তর তিনিই দেবেন। বঙ্গ বিজেপির ভঙ্গুর দশা নিয়েও একপ্রস্থ তোপ দেগেছিলেন কুণাল ঘোষ।

গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি টিকিট না দেওয়ায় দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জন বার্লা। তখনই ফুলবদলের জল্পনা শুরু হয়। পরবর্তীতে দিল্লি গিয়ে নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাতও করেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ। তারপর বেশ কিছুদিন রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি তাঁকে। কয়েক মাস আগে নতুন করে মাথাচাড়া দেয় জন বার্লার দলবদলের জল্পনা। কারণ, প্রাক্তন সাংসদ নিজেই বলেছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী সুযোগ দিলে তিনি একসঙ্গে কাজ করতে চান। এরপর গত জানুয়ারিতে কালচিনিতে মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চে দেখা যায় তাঁকে।

তবে সেই সময় তৃণমূলের পতাকা হাতে নেননি জন বার্লা। ফলে তাঁর দলবদল নিয়ে জল্পনা জারি ছিলই। এরই মাঝে গত রবিবার সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী-সহ একাধিক বিজেপি নেতা গিয়েছিলেন প্রাক্তন সাংসদদের বাড়িতে। সেই সময় মনে করা হচ্ছিল, দলের সঙ্গে দূরত্ব ঘুঁচল বার্লার। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই স্পষ্ট হল ভাঙন। অবশেষে তৃণমূলে যোগ দেন জন বার্লা। আর ঘাসফুল শিবিরে নাম লিখিয়েই বিস্ফোরক জন বার্লা। আর তা নিয়ে শুরু রাজনৈতিক তর্জা।

About Post Author