সময় কলকাতা ডেস্ক:- সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনে চিনকে চার দফা প্রস্তাব দিল ভারত। সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাডমিরাল ডং জুনের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। সেই বৈঠকে সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য বেজিংকে একাধিক প্রস্তাব দিয়েছে ভারত।
প্রস্তাবগুলির মধ্যে রয়েছে, ২০২৪ সালের ‘ডিসএনগেজমেন্ট’ মেনে চলা, মতানৈক্য নিরসনে প্রতিনিধিস্তরে কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা। শুক্রবার চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাডমিরাল ডং জনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানেই সীমান্তে শান্তি বজায় রাখা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে দু’পক্ষে।
সূত্রের খবর, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি বজায় রাখতে চারটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বেজিংকে। প্রথমত, গতবছর সেনা সরানোর পরিকল্পনা বহাল রাখতে হবে। দ্বিতীয়ত, সীমান্তের দুই প্রান্তে শান্তি বজায় রাখা যেন দুই দেশের ভৌগলিক সীমারেখায় কোনও পরিবর্তন না হয়।
এছাড়াও দুই দেশের মতবিরোধ মেটাতে বিশেষ প্রতিনিধিদের দায়িত্ব দিতে হবে। চতুর্থত এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ‘পাকবন্ধু’ চিনকে দিল্লির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে অপারেশন সিঁদুর হল পাক মদতপুষ্ট সীমান্ত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের নৈতিক অবস্থান। ২০২০ সালে গালওয়ানে সীমান্ত ইস্যুতে ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্ত সংঘাত চরম আকার নিয়েছিল।
এরপর টানা ৫ বছর ধরে দফায় দফায় বৈঠকের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে দুই দেশের সম্পর্ক। গালওয়ানের পর ডেমচক, দেপসাংয়ে সেনা মোতায়েন করেছিল দুই দেশ। সেই সেনা প্রত্যাহারও শুরু হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে অনেকের মতেই, অতীতের দুঃসময়কে দূরে সরিয়ে চিনের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে রাজনাথের এই চিন সফর। অপারেশন সিঁদুরের পর সন্ত্রাসবাদ নিয়ে চিনকে অবগত করানোও উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর। ডংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন রাজনাথ।


More Stories
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ
কালীঘাটের তৃণমূলকে স্বস্তি দিল শহীদ দিবস পালনের অনুমতি