সময় কলকাতা ডেস্ক:- ২০২৪-এর লেকসভা নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এবার মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের নাম না করে রাহুল গান্ধির তোলা অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তারা বলেছে, ভোটে কারচুপির অভিযোগ থাকলে তা লিখিতভাবে উপযুক্ত প্রমাণসহ কমিশনের কাছে পেশ করতে হয়। বিজেপি ও কমিশনের বিরুদ্ধে রাহুল ব্যবহৃত ‘ভোট চুরি’ শব্দ দুটি নিয়ে জোরালো আপত্তি তুলেছে নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের কথায়, ভোট চুরি একটি নোংরা কথা। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, কংগ্রেস নেতার এধরেনর মন্তব্য যথেষ্ট কুৎসিত।
মেনে নেওয়া যায় না। এই কথা বলে শুধু দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে অশ্রদ্ধা করা হয়েছে তাই-ই নয়, দেশের কোটি কোটি ভোটার, কয়েক লাখ নির্বাচন কর্মীকেও অসম্মান করা হয়েছে।
কমিশন বলেছে, ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের সময় থেকে এক-ভোটার-এক ভোট ব্যবস্থা অনুসরণ করে আসছে নির্বাচন কমিশন। গত ৭ আগস্ট রাহুল গান্ধি কর্ণাটকের মহাদেবপুরম বিধানসভা আসনে এক লাখ ভুয়ো ভোটারের অস্তিত্ব রয়েছে দাবি করে অভিযোগ করেন, নরেন্দ্র মোদি ভোট চুরি করে জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। গোটা দেশে বিজেপি কম করে ৭৫টা আসনে ভোট চুরি করে জিতেছে।
সেই সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল দাবি করেন, ছয় পদ্ধতিতে ভোটার তালিকায় কারচুপি করা হয়েছে। তিনি নাম এবং ঠিকানা তুলে ধরে দেখিয়েছিলেন যে একই ঠিকানায় দেখা গিয়েছে আশিজন ভোটারের নাম, আবার এমন ঠিকানা দেখা গিয়েছে যেটি আসলে একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকা এবং সেখানে কেউ থাকেন না। পাশাপাশি, ছবি ভুল এবং একই ভোটারের একাধিক জায়গার ভোটার তালিকায় নাম থাকার প্রমাণও তুলে ধরেছেন তিনি।
এখানেই থামেননি রাহুল, এরপর গোটা ইন্ডিয়া জোটকে একত্রিত করে গত ১১ আগস্ট নির্বাচন কমিশন অভিযানও করেছেন তিনি।
হুমকি দিয়ে রেখেছেন, আগামী দিনে আরও তথ্যের বিস্ফোরণ ঘটাবেন।
এসবের মাঝেই বৃহস্পতিবার কমিশন প্রথম নাম না করে রাহুলের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলল। ইতিমধ্যে কর্ণাটকের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার রাহুলকে চিঠি দিয়ে অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ পেশ করতে বলেছেন। তবে রাহুল গান্ধি ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি কমিশনকে কোনও জবাব দেবেন না। তিনি বলেছেন, তিনি একজন রাজনীতিক। যা বলার প্রকাশ্যে বলেছেন। কমিশন মনে করলে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে পারে। তিনি যা প্রমাণ করার জনসাধারণের সামনে করেছেন।


More Stories
অহংকার মমতার পতনের কারণ বললেন জগন্নাথ দয়িতাপতি
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ