Home » পঞ্চাশ পেরিয়ে উদযাপন ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের, লাল কেল্লায় উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

পঞ্চাশ পেরিয়ে উদযাপন ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসের, লাল কেল্লায় উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

সময় কলকাতা ডেস্ক:- স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লা থেকে ১১-তম বারের মতো ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। চলতি বছরের উদযাপনের থিম ‘নয়া ভারত’। স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনেও থাকবে অপারেশন সিঁদুর। ভারতীয় বিমান বাহিনী জাতীয় পতাকা এবং অপারেশন সিঁদুর পতাকা বিশেষ ফ্লাইপাস্ট-এ উড়ে যাবে লালকেল্লার উপর দিয়ে।

উদযাপন প্রসঙ্গে সরকারী বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে সরকারের লক্ষ্য বিকশিত ভারতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একটি সমৃদ্ধ, সুরক্ষিত এবং আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলা, দেশের উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে চলতি বছরের থিম-এর মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাল কেল্লা থেকে উদযাপনের নেতৃত্ব দেবেন, যেখানে তিনি জাতীয় পতাকা উত্তোলন করবেন এবং জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী মোদির ভাষণে যে যে বড় ঘোষণা থাকতে পারে:

‘অপারেশন সিঁদুর’-র সাফল্য নিয়ে ভাষণ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী এবার তাঁর ভাষণে আন্তর্জাতিক সৌহার্দ্য এবং ভারতের বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়টি তুলে ধরবেন। সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্বের প্রতি উৎসর্গ করবেন এই ভাষণ। ৭৯-তম স্বাধীনতা দিবসকে ঐতিহাসিক করে তোলার সমস্ত প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন মোদি। এই বছর চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বক্তৃতা দিতে পারেন।

ভাষণে সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব, বিশেষ করে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ‘অপারেশন সিঁদুর’-র সাফল্যের কথা তুলে ধরবেন। মোদি আগামী রাজনৈতিক ও কৌশলগত দিকগুলি নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। যার মধ্যে রয়েছে নারী কল্যাণ এবং কৃষকদের সুবিধার জন্য উদ্যোগ। এই উদ্যোগগুলির জন্য আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধির পরিকল্পনাও তৈরি করা হচ্ছে।

এবছরও আত্মনির্ভর ভারত এবং মেক ইন ইন্ডিয়া প্রচার করতে পারেন তিনি। ভারতকে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য একটি রোডম্যাপের রূপরেখা তৈরি করতে পারেন, যা দেশের বিশ্বব্যাপী প্রভাব বৃদ্ধি করবে।

ইতিমধ্যেই গোটা দিল্লি জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রায় ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তা রক্ষী, আধা সামরিক বাহিনী, কমান্ডো মোতায়েন থাকবে। পুলিশি টহলদারি চলবে। সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। যাত্রীদের স্ক্রিনিং, লাগেজ চেক এবং পরিচয়পত্র যাচাইকরণে জোর দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, একটি শান্তিপূর্ণ স্বাধীনতা দিবস সাধারণ মানুষকে উপহার দেওয়াই তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

About Post Author