সময় কলকাতা ডেস্ক:- বুধবার থেকে ভারতের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক লাগু করেছে ট্রাম্পের আমেরিকা। রাশিয়ার তেল কেনার অভিযোগে এই বাড়তি শুল্ক চাপানোর দাবি করা হলেও, এর বীজ বপন করা হয়েছিল ভারত-পাক যুদ্ধের সময়। নিজের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেটাই এবার স্পষ্ট করে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
জানান, সেই সময়েই নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলার উচ্চহারে শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
অতীতের সেই আলোচনার কথা মনে করিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সেদিন কথা বলার সময়ে সেদিন তাঁকে প্রশ্ন করেছিলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের এটা কী হচ্ছে?
এই দুই দেশ একে অপরকে অসম্ভব ঘৃণা করে। কয়েকশো বছর ধরে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে এটা চলছে।
এরপরই শুল্কের হুমকি দিয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি বলেছিলেন ভারতের সঙ্গে আমেরিকা কোনও বাণিজ্য চুক্তি করতে চায় না। আমেরিকা ভারতের উপর এতবেশি শুল্ক আরোপ করবে যে ভারতের মাথা ঘুরে যাবে।
ট্রাম্পের দাবি, ওই ফোনের জেরেই বাধ্য হয়ে পদক্ষেপ করে নয়াদিল্লি। প্রায় ৫ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিকতার দিকে এগোয়।
তবে ভারত পাক উত্তেজনা যে এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি সে ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ওদের সংঘাত হয়তো ফের শুরু হতে পারে। তবে যদি তা হয় তিনি তা বন্ধ করবেন।
আসলে গত ১০ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন, মার্কিন হস্তক্ষেপে ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
তারপর থেকে ধারাবাহিকভাবে এই সংঘর্ষবিরতির কৃতিত্ব নিজে নিয়ে আসছেন তিনি। যদিও ভারত প্রতিবারই সেই দাবি খারিজ করে দিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি বিদেশমন্ত্রী জয়শংকর স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভারতের সঙ্গে যে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন বাণিজ্য নিয়ে আমেরিকার কোনও আলোচনা হয়নি।
ডিজিএমও জানিয়েছে, পাকিস্তানের সরাসরি অনুরোধের পর কোনও বিদেশী হস্তক্ষেপ ছাড়াই সংঘর্ষবিরতি সম্পন্ন হয়।
তবুও ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি নিয়ে বারবার নিজে কৃতিত্ব নিতে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


More Stories
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ
কালীঘাটের তৃণমূলকে স্বস্তি দিল শহীদ দিবস পালনের অনুমতি