Home » ছাত্রীর মৃত্যু,অধরা প্রধান অভিযুক্ত কাউন্সিলর, মৃতার বাড়িতে গিয়ে কি বললেন অধীর

ছাত্রীর মৃত্যু,অধরা প্রধান অভিযুক্ত কাউন্সিলর, মৃতার বাড়িতে গিয়ে কি বললেন অধীর

সময় কলকাতা ডেস্কঃ বর্ধমানে মৃত ছাত্রীর বাড়িতে গেলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী।আনিসের বাড়িতে ঘুরে এসেই সোমবার অধীর চৌধুরী যান বর্ধমান পুরসভার নতুনপল্লীতে ।পুরভোটের ফল প্রকাশের পরই আস্বাভাবিক মৃত্য হয় প্রখম বর্ষের ছাত্রী তুহিনা খাতুনের ।এদিন মৃত ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের এই প্রতিনিধি দল মৃতার বাড়িতে যায়।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে ছিলেন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের সভাপতি ও অন্যান্য নেতা এবং কর্মীরা। মৃতার বাড়ি পৌছে অধীর চৌধুরী বেশ কিছু সময় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। জানতে চান মৃত্যুর কারন ও পরিবর্তি সমস্যার কথা। পরিবারকে বলেন তিনি ও কংগ্রেস সব সময় তাদের পাশে আছে। আর মৃতার পরিবারের কোন রকম আইনি সহায়তা দরকার হয় তার জন্যও তিনি ব্যবস্থা করে দেবেন। তুহিনা খাতুনকে ন্যায় বিচার দিতে প্রয়োজনে উচ্চ-আদালতে যাওয়া হবে বলে জানান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। এদিন অধীর চৌধুরী বলেন ,এটা রবীন্দ্রনাথ , নজরুলের বাংলা।আর বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। সেখানে এরকম একটি ঘটনা খুবই লজ্জার।। অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, এই ঘটনায় একজন সংখ্যালঘু ঘরের মেয়ের মর্যাদা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কুরুচিকর আচরণ করা হয়েছে শাসকের পক্ষ থেকে। ভোটের সময় মেয়েদের গলায় দড়ি পড়ানোর ছবি এঁকে দেওয়া হয়েছিল দাবী অধীর চৌধুরীর। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে অধীর চৌধুরী বলেন,যারা এমন কাজ করে তারা কি তার দলের লোক হয়? এমন কি মেয়েটির মৃত্যুর পরও তার পরিবারকে হুমকি দিচ্ছে এবং ভয়ও দেখাচ্ছে দাবি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির ।তাঁর আরো অভিযোগ , গোটা রাজ্যে মহিলা ও সংখালঘুদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটেই চলেছে।বর্ধমান পৌরসভার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরবাগ মসজিদ সংলগ্ন নতুনপল্লী এলাকায় পুর ভোটের ফল প্রকাশের পরই বুধবার বিকেলে বাড়ি থেকে এক তরুণীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।পুলিস জানিয়েছে মৃতার নাম তুহিনা খাতুন(১৮)। তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক।মৃতা তুহিনা খাতুন বর্ধমানের রাজ কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। বর্ধমান পুরসভার নবনির্বাচিত ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বসির আহমেদ তুহিনা খাতুনের মৃত্যুর জন্য দায়ি। অভিযোগ মৃতার পরিবাররে ।আর সেই কথা লিখিত আকারে তাঁরা পুলিস কে জানিয়েও এসেছেন।ঘটনার পর থেকে পুলিস চারজনকে গ্রেফতার করেছে।তবে আজও অধরা পরিবারের কাছে প্রধান অভিযুক্ত নব নির্বাচিত কাউন্সিলর বসির আহমেদ।

About Post Author