Home » পুলিশি অভিযানে অব্যাহত অস্ত্র উদ্ধার

পুলিশি অভিযানে অব্যাহত অস্ত্র উদ্ধার

সময় কলকাতা ডেস্কঃ রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের পরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশ প্রশাসনকে বেআইনি অস্ত্র উদ্ধারের  নির্দেশ দেন।আর তারপরই বিভিন্ন জেলা থেকে একের পর এক উদ্ধার হছে বেআইনি অস্ত্র ওবোমা।গ্রেপ্তারও হয়েছে একাধিক দুষ্কৃতী।আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের কাজে দিনরাত্রি জোরকদমে নজরদারি চালাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।পুলিশ একটু সক্রিয় হতেই রাজ্যের একাধিক জায়গা থেকে উদ্ধার হচ্ছে একের পর এক আগ্নেয়াস্ত্র সহ অস্ত্র তৈরির কারখানাও।


শনিবার রাতে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সল্টলেকের বৈশাখী খাল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালায়।ওই এলাকায় সন্দেহজনক ভাবে ঘুরতে থাকা দুই ব্যক্তিকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ।তল্লাশি চালাতেই তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুই রাউন্ড গুলি। জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় অভিযুক্তরা পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।অবশেষে পুলিশ ধাওয়া করে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,এর আগেও ধৃত ওই দুই দুষ্কৃতী বিভিন্ন অসামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল।ধৃতদের রবিবার অর্থাৎ আজ বিধাননগর আদালতে তোলা হয়।তবে কি কারণে অভিযুক্তেরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘুরছিল বা কোথা থেকে আগ্নেয়াস্ত্র পেল তাও খতিয়ে দেখছে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ।


অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বেআইনি অস্ত্র ও বোমা উদ্ধারের পরেই নজরদারি বাড়ায় কুলতলী থানার পুলিশ। শনিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কুলতলী থানার পুলিশ পেটকুলচাঁদ ব্রিজ এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালায়। উদ্ধার হয় লং পাইপগান সহ কার্তুজ।ধৃত ওই দুষ্কৃতীর নাম আজিজুল লস্কর।ধৃত যুবক কুলতলীর দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা।


ইতিমধ্যেই ধৃত ওই দুষ্কৃতীকে পুলিশি হেফাজতে রেখে গোটা বিষয়টির তদন্ত করেছে পুলিশ।পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্রগুলি কোথাও বিক্রি করতে যাচ্ছিল নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই এই কয়েকদিনে লাগাতার যে ভাবে পুলিশ অতি তৎপর হয়ে অস্ত্রসহ অস্ত্রের কারখানা ও বোমা উদ্ধার করছে তাতে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

About Post Author