Home » ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক : মমতা কি রক্ষাকবচ পেলেন?

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক : মমতা কি রক্ষাকবচ পেলেন?

Oplus_131072

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ জুন : বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবি। নির্বাচনের পরে বিধায়ক ও সাংসদদের বিদ্রোহ, দল ভেঙে চুরমার হওয়ার পথে । এরকম অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেন “ইন্ডিয়া” ব্লকের বৈঠকে। দিল্লিতে শুরু হল বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-র বৈঠক। সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন ২৩টি বিরোধী দলের নেতা বা প্রতিনিধিরা। তৃণমূলের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। তা ছাড়াও সমাজবাদী পার্টি (এসপি)-র অখিলেশ সিংহ যাদব, আরজেডির তেজস্বী যাদব, এনসি-র ওমর আবদুল্লাও বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। রক্ষাকবচ কি খুঁজে পেলেন বঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কি বলেছেন তিনি, তাঁর সঙ্গে কারা আছেন? এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতিতে কতটা প্রাসঙ্গিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

সোমবার তৃণমূলের ১১ জন সাংসদ দিল্লিতে বিজেপির সঙ্গে বৈঠক করছেন। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস।  তৃণমূল সূত্রে খবর, ১৩ লোকসভা সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছেন বলে বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীতে নাম লেখানোর ক্ষেত্রে চার সাংসদ এখনও দ্বিধায় রয়েছেন। তবে রাজ‍্যসভার দুই সাংসদ ছাড়া বাকিরা সবাই তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছেন বলে দাবি তৃণমূলের। তবে কি দল বাঁচাতে আজকের বৈঠকে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট পোক্ত করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস?  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখা করেছেন সনিয়া গান্ধির সঙ্গেও। আপের অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং সমাজবাদী পার্টির অফিস যাদবের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে কথা সেরেছে তৃণমূল।

এদিনের  বৈঠকে এবং পৃথক পৃথক আলোচনায় অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন যে, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে সুনির্দিষ্ট কারচুপি এবং নির্বাচন কমিশনের (ECI) পক্ষপাতিত্বের কারণেই বিজেপি সুবিধা পেয়েছে। তিনি জোটে একক আধিপত্য বা নেতৃত্বের দাবি জানালেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে জোটের অন্য শরিকদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার বার্তা দিয়ে পুনরায় বিরোধী ঐক্যের মূল স্রোতে নিজের জায়গা পাকা করেছেন ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তৃণমূলের বিধায়ক ও সাংসদদের মধ্যে যে দলবদলের বা ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, দিল্লির এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকে সোনিয়া গান্ধীর পাশে বসার মাধ্যমে তিনি দলের কর্মীদের এই বার্তা দিতে পেরেছেন যে জাতীয় রাজনীতিতে তিনি এখনও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।।

About Post Author