সময় কলকাতা ডেস্ক: মাটি মাফিয়ার তালিকায় সরাসরি নাম জড়াল শাসক দলের জনপ্রতিনিধির নাম। অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির শাসকদলের সহ-সভাপতি ফেসান আলী এক বৃদ্ধার চাষের জমি থেকে জোর-করে মাটি কেটে নিচ্ছেন।মাটি কাটায় বাধা দিতে গেলে সহ-সভাপতির হুমকির মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ। এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা তৈরি হয়। এই নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকা-জুড়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রামপুর গ্রামে এক বৃদ্ধার জমিতে মাটি কাটার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি ফেসান আলীর নেতৃত্বে জোরকরে ৫ থেকে ৭ ফিট মাটি কেটে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। জমির মালিক ওই বৃদ্ধা বাধা দিতে গেলে তাকে প্রাণ-নাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকায় লাগাতার মাটি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য বেড়ে চলেছে। ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে সরাসরি মাটি মাফিয়াদের মদত দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে বহুবার।এর মাঝে এলাকার তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে মাটি খননের অভিযোগ ওঠায় স্বাভাবিক ভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

গোটা ঘটনায় শাসকদলকে নিশানা করছে এলাকার বিজেপি নেতৃত্ব। তুঙ্গে উঠেছে রাজনৈতিক তরজা। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক কিষান কেডিয়া বলেন, রাজ্য-জুড়ে দুর্নীতি চলছে। হরিশ্চন্দ্রপুরে প্রশাসনের নাকের ডগায় মাটি মাফিয়ারা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। প্রশাসনের কর্তারাও জড়িয়ে আছেন।

যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি ফেসান আলী। তাঁর দাবি, আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

যদিও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তথা বন ও ভূমি কর্মাদক্ষ আদিত্য মিশ্রের দাবি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলীয়কর্মী বলে কোন রেয়াত করা হবে না। আইন আইনের পথে চলবে।


More Stories
দিল্লি গেলেন অভিষেক
ঔদ্ধত্য,দাম্ভিকতা,অহংকার এবং দুর্নীতিকে মদত -নাম না করে মমতাকে বেনজির আক্রমণ শান্তনু সেনের
বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি তৃণমূল থেকে বহিস্কৃত ঋতব্রতকে