Home » ১০০ দিনের প্রকল্পে পুকুরচুরি, কাঠগড়ায় পঞ্চায়েতে প্রধানসহ কর্মীরা

১০০ দিনের প্রকল্পে পুকুরচুরি, কাঠগড়ায় পঞ্চায়েতে প্রধানসহ কর্মীরা

সময় কলকাতা ডেস্ক: একশো দিনের কাজের প্রকল্পে পুকুর খনন না করেই বরাদ্দ টাকা লোপাটের অভিযোগ। কাঠগড়ায় মালদহের চাঁচলের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ পঞ্চায়েতের কর্তারা। বিডিও ও মহকুমা শাসকের কাছে কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের উপভোক্তা সহ পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতার। পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতা মরতুজ আলম বলেন, আগেও একাধিক দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কাজ না করেই সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধানসহ পঞ্চায়েতের কর্মীরা।এর আগেও একাধিক দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। কাজ না করেই সমস্ত টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধানসহ পঞ্চায়েতের কর্মীরা।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে,  মালদহের চাঁচল ১ ব্লকের খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দাদের নামে নয়’টি পুকুর খননের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছিল।১০০দিনের প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পুকুর খননের জন্য প্রায় ৫ লক্ষ্য টাকা বরাদ্দ হয়। পাশাপশি ওই এলাকায় জল নিকশির জন্য ৭ লক্ষ্য টাকা বরাদ্দ করা হয়। অভিযোগ পঞ্চায়েত কোনো কাজ না করেই ওই প্রকল্পের বিপুল অর্থ আত্মসাত করেছে পঞ্চায়েত প্রধান।ভবানীপুর গ্রামের এক উপভোক্তা তাহেরুদ্দিন হোসেন বলেন, আমার জায়গায় একটি পুকুর খননের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। জায়গায় কাজের বোর্ড লাগানো রয়েছে। কিন্তু প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও আজও পুকুর খনন হয়নি।

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছেন বিজেপি। বিজেপির মালদা জেলার যুব মোর্চার সহ-সভাপতি সুমিত সরকার বলেন, খরবা গ্রাম পঞ্চায়েত দুর্নীতির আঁতুড়ঘরে পরিণত হয়েছে। ১০০ দিনের প্রকল্পের কাজে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতের কর্মীরা। এতকিছুর পরেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

 

তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন খরবা পঞ্চায়েতের পারভিনা খাতুন। তাঁর দাবি, তদন্ত হলে আসল সত্য বেরিয়ে আসবে।দুর্নীতির অভিযোগ সত্যি হলে দল কোনভাবেই পাশে দাঁড়াবে না  দাবি ব্লক তৃণমূল নেতৃত্বের।

একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের তীরে বিদ্ধ খরবা গ্রাম পঞ্চায়েত। মানুষের প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছেন প্রধান উপপ্রধান সহ পঞ্চায়েত কর্মীরা এমনই অভিযোগ উপভোক্তা সহ বিরোধীদের। কিন্তু সেই অভিযোগের পরেও প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন প্রশ্ন?

 

 

 

 

About Post Author