সময় কলকাতা ডেস্ক : বয়স একটি সংখ্যা মাত্র -প্রমাণ করতে জেমস ক্লার্ক আর সিনথিয়া কেস দম্পতির উদাহরণ-ই যথেষ্ট । মনে নয়, শরীরেও তাঁরা ভরপুর তরতাজা। তাঁদের যৌনতাময় বিবাহিত জীবন ঈর্ষার কারণ হতে পারে তরুণ তরুণীদের কাছেও।
বাস্তবে নবদম্পতি বলতে এখন আর নবীন বা মাঝবয়সী মানুষদের বোঝায় না ।হাতের সামনে উদাহরণ হিসেবে প্রাক্তন ক্রিকেটার অরুনলালের মত অনেকেই আছেন তবে তাঁরা কেউ খোলাখুলি সিনথিয়ার মত একান্ত ব্যক্তিগত যৌনজীবন নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন নি।ক্লার্ক-কেস এমনই একজন নবদম্পতি বলেছেন যে তারা জানিয়েছেন তাঁদের সফল যৌন জীবনের কথা।২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ৬৯ বছর বয়সী ক্লার্ক এবং ৭০ বছর বয়সী সিনথিয়া বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পরে তাঁরা শুধুমাত্র বন্ধু নন। শুধুমাত্র মানসিক সম্পর্কও তাঁরা বয়ে চলছেন না। তাঁদের উদ্দাম যৌন জীবনের কথা জানিয়ে তাঁরা দাবি করেছেন যে, তাঁরা তাদের জীবনের সেরা যৌনতায় ভরপুর সময়ের মধ্যে চলেছেন।তাঁরা চূড়ান্ত আনন্দদায়ক সঙ্গম করছেন করছেন এমনকি কখনও কখনও দিনে দুবার সঙ্গমের মাধ্যমে চুটিয়ে বিবাহিত জীবনের আনন্দ তাঁরা নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।
সিনথিয়া- ক্লার্ক দম্পতির সফল যৌন জীবনের পেছনে তাঁদের স্বাভাবিক রসায়ন রয়েছে যদিও যৌন সহায়ক চিকিৎসাও তাঁদের সাহায্য করেছে ।তাঁরা বলেছেন, এখন তাঁদের যৌনতা এতটাই তুঙ্গে যে তারা তাঁদের দীপ্ত যৌন জীবন দিয়ে বন্ধুদের ঈর্ষান্বিত করছেন । গত ডিসেম্বরে বিয়ের পর থেকে, নবদম্পতি সিনথিয়া কেস এবং জেমস ক্লার্ক একে অপরের থেকে দূরে রাখতে পারেন না, বেডরুমে ঘন্টার পর ঘন্টা যৌনতায় হারিয়ে যায়।প্রায় দেড় বছর আগে একটি ডেটিং অ্যাপে দেখা হওয়া যুগলের জন্য স্বাভাবিকভাবেই যৌনতা এসেছিল।সেসময় সিনথিয়া কেস দক্ষিণ ফ্লোরিডায় থাকতেন এবং আর্থিক ট্রেডিং সফ্টওয়্যার ডিজাইন করতেন। অন্যদিকে,ক্লার্ক লাস ভেগাসে একজন প্রো পোকার প্লেয়ার ছিলেন।তারা অনলাইনে পরিচিত হওয়ার মাত্র ১০ দিন পরে, বিবাহবিচ্ছিন্ন ক্লার্ক সিনথিয়া কেসের সঙ্গে টানা ছয় দিন মিলিত হন যার মধ্যে একদিন পাঁচঘন্টা কেটেছিল যৌনতায়।
সাধারণ সামাজিক সমীক্ষার উপর ভিত্তি করে ২০১৪ সালের একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, ষাট বছরের আমেরিকান দম্পতিরা গড়ে বছরে প্রায় ২৫ বার সঙ্গম করেন। এই সংখ্যা ৩০-৩৯ বছরে গড়ে ১১২ বার,৪০-৪৯ বছরে গড়ে ৮৬ বার,৫০-৫৯ বছরে গড়ে ৬৯ বার। স্বাভাবিকভাবেই বয়স বাড়লে সঙ্গম সংখ্যা কমে যাওয়ার যে সমীক্ষাজাত ফল তাকে কেস এবং ক্লার্ক অনায়াসে চুরমার করছেন। চিকিৎসকরা বলছেন মানসিক ও শারীরিকভাবে আনন্দিত ও সুস্থ থাকলে যৌন জীবন প্রলম্বিত হয়।

ভারতের চিত্র সামান্য অন্যরকম। এখানে পুরুষ ও নারীদের প্রথম যৌনতা যথাক্রমে ২১-২৪ ও ১৫ -১৯ বছরে আসলেও ষাট -উর্দ্ধ নারী পুরুষদের দৈহিক মিলন সংখ্যার হিসেবে। তথাপি গড়ে ৬৫ বছর পর্যন্ত যৌন সক্ষম থাকেন পুরুষ। কিছু ক্ষেত্রে পুরুষ তারপরেও যৌন সক্ষম থাকেন।সত্তরের পরে নারীদের মধ্যে সাতজনে একজনের মধ্যে যৌন কামনা কাজ করে। চিকিৎসকরা বলছেন ২০১০ সালের পরে যৌনউদ্দীপনা বর্ধক ভায়াগ্রা বাজারে প্রভুত চালু হলেও তা সাধারণভাবে যৌন জীবনকে দীর্ঘায়িত করে নি। সমীক্ষা ও চিকিৎসক উভয়ের মতে দীর্ঘ যৌন জীবনের জন্য সবচেয়ে বড় টোটকা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা।।


More Stories
লেনিনের মৃত্যু : বিতর্ক এবং বাস্তব
রাজ কিরণ অন্তর্ধান রহস্য
নেতা নয় নায়ক, যমের অরুচি, ঋতব্রতকে ভয়ঙ্কর আক্রমণ শতরূপের