Home » এক নজরে রাইসিনা হিলের লড়াই

এক নজরে রাইসিনা হিলের লড়াই

সময় কলকাতা ডেস্কঃ রাইসিনা হিলে দেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে কে জায়গা করে নেবেন, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ। ২১ জুলাই, বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা থেকে সমস্ত গোপন ব্যালট বক্স থেকে বেরিয়ে আসবে সেই উত্তর। দেশের সবথেকে বড় ভোট উৎসবের আজ ফয়সালা হওয়ার দিন। এই উৎসবের দুই মুখ। ১৫ তম রাষ্ট্রপতি হওয়ার লড়াইয়ে একদিকে রয়েছে এনডিএ সমর্থিত এবং মনোনীত প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু এবং বিরোধী জোটের মনোনীত প্রার্থী যশবন্ত সিনহা। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, এই লড়াইয়ের কিছু বিশেষ ফ্যাক্টস।

১. বিজয়ী প্রার্থী ২৫ জুলাই রাষ্ট্রপতি পদে শপথ গ্রহণ করবেন।
২. দ্রৌপদী মুর্মু একজন আদিবাসী মহিলা হিসেবে রাষ্ট্রপতি পদে লড়াইয়ে সামিল হয়েছেন।
৩. ঝাড়খন্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল হিসেবে তিনি ওড়িশা, ঝাড়খন্ড সহ বহু রাজ্য এবং ৪৪টি দলের সমর্থন তিনি পেয়েছিলেন।
৪. মোট ৩৪ টি দলের তরফে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহাকে সমর্থন জানানো হয়েছিল।
৫. এবারের নির্বাচনে সাংসদের ভোটমূল্য ৭০০ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
৬. রাজ্যের বিধায়কদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের জনসংখ্যার সঙ্গে বিধানসভায় নির্বাচিত সদস্যসংখ্যার ভাগফলের সঙ্গে ১০০০ ভাগ করা হয়। সংশ্লিষ্ট অঙ্কের ভাগশেষ যদি ৫০০ কিংবা তার বেশি হয়, সেক্ষেত্রে ১ যোগ করে বিধায়কদের ভোটমূল্য নির্ধারণ করতে হয়।
৭. ভোটদান করার ক্ষেত্রে ভোটদাতা একাধিক পছন্দের কথা জানাতে পারে। এক্ষেত্রে তাঁকে প্রথম পছন্দ নির্দিষ্ট করতে হবে, তা না করা হলে তাঁর ভোট বৈধতা পাবে না।
৮. এই প্রথম পছন্দের বৈধ ভোটগুলিকেই যোগ করে সেই যোগফলকে ২ দিয়ে ভাগ করার পর যে ভাগফল পাওয়া যাবেস তার সঙ্গে ১ যোগ করার পর পাওয়া যাবে কোটা। এই কোটা ভোটের ভিত্তিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
৯. সংসদের সমস্ত সাংসদ, বিধায়কদের মিলিয়ে মোট ৯৯ শতাংশ ভোট গৃহীত হয়েছে এবারের নির্বাচনে।
১০. সংসদের ৬৩ নম্বর কক্ষে সমস্ত ব্যালট বক্স পৌঁছে গিয়েছে। সেই কক্ষেই গণনা শুরু হবে। এই বিশেষ কক্ষ ও তার পাশ্ববর্তী এলাকাটিকে সাইলেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।


১১. ২৪ জুলাই শেষ হতে চলেছে বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের মেয়াদ।
১২. ওড়িশার রাইরঙ্গপুর গ্রামে ইতিমধ্যে ঘরের মেয়ের জয় উপলক্ষে চলছে উৎসবের আয়োজন। তৈরি করা হয়েছে ২০ হাজারেরও বেশি মিষ্টি। বিশেষ আদিবাসী নৃত্যের অনুষ্ঠানেরও চলছে প্রস্তুতি।
১৩. এর আগে ১৯৯২ সালে আদিবাসী রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছিলেন জর্জ গিলবার্ট সোয়েল। তিনি মেঘালয়ের বাসিন্দা এবং তৎকালীন লোকসভার ডেপুটি স্পিকারও ছিলেন। এর আগে তিনি নরওয়ে এবং মায়ানমারে ভারতের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।
১৪. ১৯৯৭ সালে দেশের প্রথম দলিত অর্থাৎ তফসিলি জাতি সম্প্রদায়ের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন কে আর নারায়ণন। মোট ৯৪ শতাংশ ভোট পেয়ে তিনি দেশের প্রথম নাগরিকের পদে আসীন হয়েছিলেন।

About Post Author