Home » ছটপুজোতে রবীন্দ্র সরোবরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ছটপুজোতে রবীন্দ্র সরোবরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

সময় কলকাতা ডেস্কঃ ছটপুজোতে রবীন্দ্র সরোবরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুনালের তরফে। রবিবার ছটপুজোর জন্য কোনওভাবেই যাতে রবীন্দ্র সরোবরকে ব্যবহার করা না হয়, সেই ব্যাপারে উদ্যোগ নিল প্রশাসন। গত বছরের মত এবছরেও রবীন্দ্র সরোবর চত্বরে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। ইতিমধ্যেই রবীন্দ্র সরোবরকে কার্যত বাঁশ দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। কেউ যাতে রবীন্দ্র সরোবরে নামতে না পারেন সেই কারণে প্রশাসনের তরফে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরোবরে প্রবেশের ১৬ টি গেটের মুখেই টাঙানো হয়েছে হোর্ডিং। ছটপুজোর জন্য রবীন্দ্র সরোবর বাদ দিয়ে বিকল্প কোন জলাশয় ব্যবহার করা যেতে পারে, তাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই নোটিশে। এর পাশপাশি ছটপুজো উপলক্ষে বাজি পোড়ানোর সময়সীমাও জানিয়ে দিয়েছে পরিবেশ দফতর ও ওয়েস্ট বেঙ্গল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড। জানা গিয়েছে,এদিন সকাল ৬টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত সবুজ বাজি বা গ্রিন ফায়ার ক্র্যাকার্স পোড়ানো যাবে।

গতবছরও কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল রবীন্দ্র সরোবর চত্বর। সমস্ত প্রবেশপথ আটকানোর পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশকর্মী। পরিবেশকর্মীদের দাবি ছিল, ঢাকুরিয়া লেকে ছটপুজো হলে জলজ বাস্তুতন্ত্র ভেঙে পড়বে। তারপরেই হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলার ভিত্তিতেই হাইকোর্টের নির্দেশে ছট পুজো বন্ধ করা হয়েছিল রবীন্দ্র এবং সুভাষ সরোবরে।

প্রতি বছরই কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠ দিনে উদযাপিত হয়। প্রতি বছর কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষের ষষ্ঠী তিথিতে ছট পূজার আয়োজন করা হয়। ছট উৎসব ভারতের কয়েকটি কঠিন উৎসবের মধ্যে একটি যা ৪ দিন ধরে চলে। এই উৎসবে ৩৬ ঘন্টা উপবাস রেখে সূর্য দেবতা ও ছটি মাইয়াকে পূজা করা হয় এবং তাদের অর্ঘ্য দেওয়া হয়।
২৮ অক্টোবর অর্থাৎ শুক্রবার থেকেই শুরু হয়েছে ছট পুজোর উদযাপন। ছট পুজোর প্রথম দিনে স্নান করে পুজোর সূচনা করা হয়। ছট পুজোর দ্বিতীয় দিনকে বলা হয় খরনা, যা শনিবার পালিত হবে। ৩০ অক্টোবর,রবিবার অর্থাৎ ছট পুজোর তৃতীয় দিনে অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করা হবে। চতুর্থ দিনে অর্থাৎ সোমবার উদীয়মান সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করে উপবাস ভাঙবে।

About Post Author