Home » ফের মিনাখাঁর বোমা বিস্ফোরণ স্থল ঘুরে দেখলেন রাজ্য ফরেন্সিকের একদল প্রতিনিধি

ফের মিনাখাঁর বোমা বিস্ফোরণ স্থল ঘুরে দেখলেন রাজ্য ফরেন্সিকের একদল প্রতিনিধি

সময় কলকাতা ডেস্কঃ বসিরহাট বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডের নয়া মোড়। শনিবারের পর ফের রবিবার দুপুর একটা নাগাদ বসিরহাটের মিনাখাঁ থানার বকচরা গ্রামে বোমা বিস্ফোরণ স্থল ঘুরে দেখলেন চারজনের একটি বোম্ব স্কোয়াড প্রতিনিধি দল। এদিন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রথমে ক্যামেরা দিয়ে পুরো জায়গাটা ফটোগ্রাফি করেন। এর পাশাপাশি আবুল হোসেনের বাড়িতে চিরুনি তল্লাশি চালান। এছাড়াও প্রতিবেশীদের সঙ্গেও কথা বলে আশেপাশের জায়গাগুলোকে চিহ্নিত করেন তারা। ইতিমধ্যে মূল অভিযুক্ত আবুল হোসেন গাইন ও তার ভাই আবুল সাত্তার গাইন তাদেরকে পুলিশে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বসিরহাটের মিনাখাঁ থানার বকচরা গ্রামে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে আট বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়। তারপরই প্রবল সমালোচনার ঝড় ওঠে। তবে এই বিস্ফোরণের কারণ কি? কি ধরনের বারুদ মজুত করা হয়েছিল এমন নানান বিষয়ের উত্তর পেতেই তদন্তকারী সংস্থা ফরেন্সিক দলের সাহয্য নিয়েছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ মূল অভিযুক্ত আবুল হোসেন গাইন ও তার ভাই আবুল সাত্তার গাইনকে গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। উল্লেখ্য,বুধবার সন্ধে ছটা নাগাদ বসিরহাটের মিনাখাঁ থানার চাপালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বকচোরা গ্রামের তৃণমূল নেতা আবুল হোসেন গায়েনের বাড়িতে গিয়েছিলেন তাঁর আট বছরের ভাগ্নি ঝুমা খাতুন। এরপরই মামা বাড়ির বিচুলির মধ্যে বোমাকে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা বিস্ফোরণের জেরে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ওই শিশু কন্য। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের তরফে খবর দেওয়া হয় মিনাখাঁ থানায়। ঘটনার খবর পেয়েই তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বসিরহাট পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিনাখাঁ থানার পুলিশ আধিকারিক সিদ্ধার্থ মণ্ডল। এরপর গুরুতর জখম অবস্থায় ওই নাবালিকাকে নিয়ে যাওয়া হয় মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরাই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

তবে ঠিক কী কারণে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিচালির মধ্যে বোমা মজুত করা হয়েছিল তাও জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। পাশাপাশি এই ঘটনার পিছনে কোনও রাজনৈতিক চক্রান্ত রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

About Post Author