Home » লালন শেখ মৃত্যুকাণ্ডে ২ সিবিআই অফিসারকে সাসপেন্ড

লালন শেখ মৃত্যুকাণ্ডে ২ সিবিআই অফিসারকে সাসপেন্ড

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ জানুয়ারিঃ বগটুই গণহত্যা কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের পুলিশি হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় দুই অফিসারকে সাসপেন্ড করল সিবিআই।সাসপেন্ড করা হয়েছে ২ পুলিশ কনস্টেবলকেও ।

জানা গিয়েছে, দুই সিবিআই অফিসার হলেন রাহুল প্রিয়দর্শী ও বিলাস মধঘুট। উল্লেখ্য, পুলিশি হেফাজতে লালন শেখের মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআইয়ের মুখ পুড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যতম অভিযুক্ত লালন শেখের হেফাজতে মৃত্যুর পর গোটা তদন্তই ধাক্কা খেয়েছে। এই অবস্থায় মুখ বাঁচাতেই দুই অফিসারকে সিবিআই সাসপেন্ড করল বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, লালনের পাহাড়ায় ছিলেন যে দুই পুলিশ কনস্টেবল তাঁদেরও সাসপেন্ড করা হয়েছে। তদন্তকারী দুই অফিসার যখন রামপুরহাট আদালতে গিয়েছিলেন, তখন পাহাড়ায় ছিলেন তাঁরা। তাঁদের উপস্থিতি সত্ত্বেও লালন শেখ কীভাবে বাথরুমে আংশিক ভাবে ঝুলে পড়ে আত্মহত্যা করার সুযোগ পেল সেই প্রশ্ন উঠেছে। লালনের পরিবারের অভিযোগ হল, তাকে হেফাজতে পিটিয়ে মারা হয়েছে। তারা এ ঘটনায় তদন্তের দাবি করেছে। সেই অভিযোগ অনুযায়ী এফআইআর দায়েরও করেছে রাজ্য পুলিশ।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের মার্চ মাসে বগটুই কাণ্ড নিয়ে রাজ্য তথা সারা দেশে শোরগোল পড়ে যায়৷ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল গত ২১ মার্চ রাতে৷ ওই রাতেই সাড়ে ৮ টা নাগাদ বোমা মেরে খুন করা হয় এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখকে৷ অভিযোগ, সেই খুনের বদলা নিতেই পালটা হামলা চালানো হয়৷ রাতের অন্ধকারে গ্রামের একাধিক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা৷ তাতে গ্রামের ১০ থেকে ১২ টি বাড়ি পুড়ে খাক হয়ে যায়৷ সেই ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ন’জনের৷ বগটুই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসাবে ভাদু শেখের ছায়া সঙ্গী লালন শেখকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। ৮ ডিসেম্বর তাকে গ্রেপ্তার করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা৷ রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে আবেদন মত সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। তবে কেন্দ্রীয় এজেন্সির হেফাজতে থাকার সময়ে লালনের কীভাবে মৃত্যু হল তা নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে।

About Post Author