সময় কলকাতা ডেস্ক, ৭ ফেব্রুয়ারি: একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির গায়ে ‘বহিরাগত’ তকমা সেঁটেছিল তৃণমূল। সেই সময়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিয়মিত বাংলায় আসতেন। এবার তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় পৌঁছতেই তাঁকে একই অভিযোগে বিদ্ধ করেছে ত্রিপুরার বিজেপি নেতারা। মঙ্গলবার আগরতলায় এক নির্বাচনী জনসভা থেকে বিজেপির অভিযোগ খণ্ডন করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ত্রিপুরা আসলে বাংলার মতোই। বাংলা তাঁর ‘ঘর’ হলে ত্রিপুরাও একটি ‘ঘর’।

সোমবারই ত্রিপুরা পৌঁছে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে আগরতলা পৌঁছে নিজস্ব ভঙ্গিমায় জনসংযোগ শুরু করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। অভিষেককে সঙ্গে নিয়ে পুজো দিতে গিয়েছিলেন ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে। এরপরে মন্দিরের কাছেই একটি চা সিঙ্গাড়ার দোকানে ঢুকে পড়েন তিনি। সিঙ্গাড়ার লেচি বেলেন এবং চা বানিয়ে সবাইকে খাওয়ান। মঙ্গলবার ৫ কিলোমিটার পদযাত্রা করেন এবং শেষে জনসভা।

এদিন ভাষণে যেমন বিজেপিকে তুলোধোনা করলেন, তেমনই ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এলে কি কি করবেন সেটাও জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি বলেছেন, ‘‘বাংলার সংস্কৃতি, ত্রিপুরার সংস্কৃতি একেবারে এক। পার্থক্য নেই। আপনার কথাও এক, আমার কথাও এক। আপনার ভাষাও এক। আমার ভাষাও এক। আপনার রান্নাও এক, আমার রান্নাও এক। আপনাদের শঙ্খধ্বনি এক, আমাদের শঙ্খধ্বনিও এক। আপনাদের উলুধ্বনিও এক। আমাদের উলুধ্বনি এক। আপনার ধর্ম সর্বধর্মসমন্বয়, আমাদের ধর্মও এক”। এরপরই তিনি বলেন, বাংলা-ত্রিপুরা ভাইবোন, মাত্র তো আধ ঘণ্টার দূরত্ব! উল্লেখ্য, এর আগে ত্রিপুরা পুর নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েও ভালো ফল করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ৬০ আসনের বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র ২৮টিতে প্রার্থী দিতে পেরেছে তাঁরা। ফলে সব আসনে জিতলেও ক্ষমতা দখল করা এত সহজ হবে না।


More Stories
শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জয়প্রকাশ
বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি তৃণমূল থেকে বহিস্কৃত ঋতব্রতকে
অভিষেকের দুয়ারে ইডি