সময় কলকাতা ডেস্ক,২৭ ফেব্রুয়ারিঃ সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। রবিবার আবগারি দুর্নীতিকাণ্ডে টানা ৮ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সূত্রের খবর, বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তরে এড়িয়ে যাওয়ার কারণে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এক সপ্তাহ আগেই মণীশ সিসোদিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই। কিন্তু ওইদিন সিবিআই-এর কাছে কিছুটা সময় চান সিসোদিয়া।

কেজরিওয়ালের ডেপুটির আবেদন মেনে রবিবার ফের তাঁকে তলব করা হয়েছিল। রবিবার সকালেই সিবিআই দফতরের পৌঁছন মণীশ। এদিনই যে তিনি গ্রেফতার হতে পারেন, সেই আশঙ্কা সকালেই প্রকাশ করেছিলেন মণীশ। সিবিআই দফতরে যাওয়ার আগে তিনি জানান যে, ৭-৮ মাস জেলে থাকার জন্য প্রস্তুত তিনি। এরপর রবিবার বিকেল গড়াতেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ‘ডেপুটি’কে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আবগারি দুর্নীতিকাণ্ডে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে গ্রেফতারের ঘটনায় গর্জে উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মণীশের গ্রেফতারি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তোলেন আপ সুপ্রিমো।

উল্লেখ্য,গত বছরই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বিতর্কের দানা বেঁধেছিল। এরপরই দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার নির্দেশেই দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করে ইডি ও সিবিআই। কারণ, আবগারী বা মদ বিক্রি নীতিতে মূল অভিযোগই ছিল বেআইনিভাবে পথে অর্থ উপার্জন। তিন মাস আগেই সিবিআই এই মামলার চার্জশিটও পেশ করে।সিবিআইয়ের ওই চার্জ শিটে মণীশ সিসোদিয়া সহ ১৫ জনের নাম ছিল। ১১ পাতার ওই চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র এবং ভুয়ো অ্যাকাউন্টের নথি পাওয়া গেছে বলে দাবি সিবিআইয়ের। মনীশের বিরুদ্ধে সিবিআই যে ধারাগুলিতে মামলা দায়ের করেছিল, তারমধ্যে দুটি ধারা ইডির প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট-এর অধীনে তদন্তের অধীনে পড়ে। সেগুলি হল, ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০-বি এবং ৪৭৭। এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৭ নম্বর ধারার মামলা দায়ের হয়েছিল।


More Stories
বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোয় গ্রেফতারের নির্দেশ শুভেন্দুর
বাঙালিদের ভন্ড বলার অভিযোগে বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
অভিষেকের অফিসে ভাঙচুর