সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩ মার্চ: নবম ও দশমের শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ছিলই। কেউ পেয়েছিলেন শূন্য আবার কেউ কেউ ২-৪ নম্বর। কেউ আবার সাদা খাতা জমা দিয়েও দিব্বি শিক্ষক পদে চাকরি করছিলেন রাজ্য সরকারি স্কুলে। নবম-দশমের চাকরির পরীক্ষার ওএমআর শিট যাচাই করে বেআইনিভাবে নিযুক্ত শিক্ষকদের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। পরে এই মামলাটি বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে ওঠে। তিনিও অভিযুক্ত ৮০৫ জন শিক্ষকের নিয়োগ বাতিলের নির্দেশ দেন। এবার মধ্যশিক্ষা পর্যদ ৬১৮ জন নবম-দশমের নিয়োগপত্র বাতিল করল।

সূত্রের খবর, আগেই একবার ৬১৮ জনের সুপারিশপত্র বাতিল করেছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। কিন্তু অযোগ্য প্রার্থীরা বারবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়ে চাকরি বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু এবার আর কোনও উপায় থাকল না। শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ জানিয়ে দিল অযোগ্য ৬১৮ জনের চাকরি যাচ্ছেই। সোমবার থেকে নবম-দশমের ওই শিক্ষকদের আর স্কুলে যেতে হবে না।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে নিয়োগ হওয়া নবম-দশমের ৮০৫ জন শিক্ষককে অযোগ্য বলে গণ্য করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। ওই তালিকাতেই ছিলেন এই ৬১৮ জন শিক্ষক। পরে আরও অযোগ্যদের নিয়োগের সুপারিশপত্র বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ একক বেঞ্চের রায়ই বহাল রাখে। তখনই বোঝা গিয়েছিল এবার চাকরি যাবেই অযোগ্যদের। রায় ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি জারি করল।


More Stories
অরুণ ভৌমিকের ১৪ দিনের জেল হেফাজত
বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের ভালোবাসায় মুগ্ধতার বিশেষ প্রয়াস
রোহিঙ্গা ঠেকানো লক্ষ্য বিজেপির, বললেন খাদ্যমন্ত্রী