Home » সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক দাবি হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক দাবি হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৪ মার্চঃ সব জল্পনার অবসান। অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন ‘রহস্যময়ী নারী’ হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই তাঁকে ঘিরে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এবার এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি করলেন হৈমন্তী। তাঁর দাবি,‘আমি ব্যক্তিগতভাবে তাপস মণ্ডল এবং কুন্তল ঘোষকে চিনি না। নিয়োগ দুর্নীতি সম্পর্কেও আমি কিছুই জানি না। অন্য কোনও কিছুকে লুকানোর জন্য আমার নাম জড়ানো হয়েছে। আমার নামে কোনও প্রমাণ নেই। কোনও আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে আমি জড়িত নই। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও যুক্ত নই। নিয়োগ দুর্নীতির মামলার তদন্তে গোপালের থেকে পাওয়া ব্যাঙ্কের নথিতে আমার নাম ছিল। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কুন্তল আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন।’ অন্যদিকে,গোপাল দলতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক প্রসঙ্গে হৈমন্তী বলেন,এক দেড় বছর আগে ডিভোর্সের মামলা করেছিলাম। আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছে।


উল্লেখ্য,নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই যেন ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য।হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা তথ্য সামনে আসছে। গত বুধবারই হৈমন্তীর খোঁজে লুক আউট নোটিশ জারি করেছিল সিবিআই। কেননা সিবিআই অফিসাররা মনে করছেন, দেশ ছাড়তে পারেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। কার্যত সেকারণেই তাঁর ছবি–সহ প্রামাণ্য নথি বিভিন্ন বিমানবন্দরে পাঠিয়ে লুক আউট নোটিশ জারি করা হয়েছিল।


প্রসঙ্গত,গোপাল ও হৈমন্তীর নাম উঠে আসার পর থেকেই তাঁদের সংস্থা ও কার্যকলাপ সম্পর্কে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সেইসঙ্গে হৈমন্তী কোথায় রয়েছে, তাও তাঁরা জানার চেষ্টা করছেন। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে সংবাদমাধ্যমকে গোপাল দলপতি ফের জানিয়েছেন যে, নিয়োগ দুর্নীতিতে বড় মাথা রয়েছে। হৈমন্তীর কাছ থেকে এক টাকাও পাওয়া যাবে না বলে দাবি তাঁর। কীভাবে তাঁর বাড়ির আবর্জনা থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথির হদিশ মিলল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতি যোগে গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের তদন্ত করতে গিয়েই বেশ কয়েকটি সংস্থার সন্ধান মেলে। অভিযোগ, হৈমন্তীর সংস্থাগুলির মাধ্যমেই টাকা পাচার করতেন গোপাল।

About Post Author