Home » সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে তৎপর প্রশাসন, চাঞ্চল্য মালদায়

সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে তৎপর প্রশাসন, চাঞ্চল্য মালদায়

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৬ মেঃ সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের সঙ্গে পুলিশের যৌথ অভিযান। সরকারি জমি থেকে উচ্ছেদ করা হল কমপক্ষে ২০-২৫ টি পরিবারকে। মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লকের হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকায় হলদিবাড়ি মোড়ে সরকারি জমি দখলমুক্ত করতে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশি সহায়তায় শনিবার উচ্ছেদ অভিযান চালায় হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক ভিক্টর সাহা,হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর ব্লক বিডিও অনির্বান বসু, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদূত গজমের।

এদিন ওই জমিতে বসবাসকারী ২০ থেকে ২৫ টি পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়। তাদের মধ্যেই দুলাল সিংহ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন তিনি ২০১৩ সালে টাকার বিনিময়ে ওই জমি কিনে ছিলেন। তার কাছে প্রমাণ হিসেবে সেই জমির দলিল রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। সূত্রের খবর, ওই এলাকায় প্রত্যেক পরিবারই টাকার বিনিময়ে জমি কিনে বসবাস করছিল। ফলে প্রশ্ন উঠেছে কারা টাকার বিনিময়ে সরকারি জমি বিক্রি করেছিল। আর কেন সেই সময় পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। জমি মাফিয়াদের সঙ্গে শাসকদল এবং প্রশাসনের আতাতের অভিযোগ করেছে বিরোধীরা। বিজেপির অভিযোগ,ওই জায়গায় ভাগাড় করা হবে। তাই এই পরিবারগুলোকে উচ্ছেদ করল প্রশাসন। কিন্তু সদর এলাকায় ভাগাড় হতে দেবে না বিজেপি। দরকার হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা।

আরও পড়ুন    ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেতে চলেছে ‘বিক্রম বেদা’

সেইসঙ্গে বিজেপির দাবি, এইরকম অনেক জমি তৃণমূলের নেতারা দখল করে রয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর ঘোড়া গাড়ি স্ট্যান্ডের সরকারি জমি দখল করে শপিং মল তৈরি হয়েছে। কিন্তু তখনও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। হরিশ্চন্দ্রপুর সদর এলাকায় তৃণমূল ভোট পায় না বলে, লোক বসতির মধ্যে ভাগাড় করে পরিবেশ দূষণ করতে চাইছে। এমনটাও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছে বিজেপি। যদিও বিজেপির অভিযোগ কে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। তবে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে,ওখানে পরিবারগুলো অনেকদিন ধরে বসবাস করত। মানবিক ভাবে তারা সেই ভূমিহীন পরিবারের পাশে রয়েছে। এদিকে,হরিশ্চন্দ্রপুর ব্যবসায়ী সমিতির দাবি,সদর এলাকায় যেন ভাগাড় না হয়। ভাগাড় হয়ে গেলে দুর্গন্ধ এবং মশা মাছির কারণে পার্শ্ববর্তী লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়বে। পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

About Post Author