সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ মেঃ রাজ্যজুড়ে পথশ্রী প্রকল্পের আড়ালেই চলছে নদ-নদী থেকে অবাধে বালি-পলি পাচার। এবার জলঢাকা নদী থেকে অবৈধভাবে বালি পাচারের ঘটনা সামনে আসছেই নড়ে চড়ে বসলো জেলা প্রশাসন। ঘটনায় বাজেয়াপ্ত হয়েছে দুটি ডাম্পার সহ দুই চালক। সব থেকে আশ্চর্যের বিষয় হল ডাম্পার দুটিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মস্তিষ্কপ্রসূত পথশ্রী প্রকল্পের স্টিকার লাগানো ছিল বাজেয়াপ্ত করার সময়। জানিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের দাবি, পথশ্রী প্রকল্পের আড়ালে চলছে অবাধে বালি পাচার। সময় কলকাতার খবর পেয়ে রবিবার “অন পথশ্রী ওয়ার্ক” স্টিকার লাগানো দুটি ডাম্পার গাড়ি আটক করে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। ওইদিন ময়নাগুড়ি-ধুপগুড়ি ৩১ নং জাতীয় সড়কের হুসলুডাঙ্গা টোল গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে গাড়ি দুটিকে আটক করে পুলিশ। দুই গাড়ির চালক এবং খালাসীদের আটক করা হয়েছে । সূত্রের খবর, জলঢাকা নদী থেকে এই ডাম্পার দুটির সাহায্যেই চলছিল অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের কাজ। ময়নাগুড়ির পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দুই চালকের নাম বিরাজ বেরা(২৬) এবং গোপাল দাস (৩৭) । তাদের বাড়ি গয়েরকাটা এবং গোঁসাইহাট এলাকায়।
আরও পড়ুন চণ্ডীপুরের ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী

এর আগেও একাধিকবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলার নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালিকা বাজারের খবর শোনা গিয়েছিল। এমনকী সেই খবর সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচার হতেই নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। কয়েকদিন অবৈধ বালি পাচার বন্ধ থাকলেও, রাজনৈতিক মতে এই বেআইনি কাজ হয়েই চলেছে। অবৈধভাবে নদীগর্ভ থেকে পলি বালি তুলে নেওয়ার ফলে দেখা দিচ্ছে নদী ভাঙ্গন। অনেক ক্ষেত্রেই নদীর গতিপথ স্লথ হয়ে যাচ্ছে এমনকি নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করছে। নদী ভাঙ্গন যেন অভিশাপ হয়ে উঠেছে নদীর তীরবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের কাছে। কবে এই অবৈধ বালি-পলি পাচার বন্ধ হবে তার উত্তর খুঁজে চলেছে সময় কলকাতা।


More Stories
পারিবারিক ত্রিকোণ প্রেমের সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে খু*ন করে আত্ম*ঘাতী স্বামী
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ
শোভনদেবের আপ্ত-সহায়কের রিসর্ট সিল করল প্রশাসন