Home » আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের পরাজয়ের কারণ কী?

আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইংল্যান্ডের পরাজয়ের কারণ কী?

Oplus_131072

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ জুলাই :  ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে খেলা শেষ হওয়ার পরে ১২ ঘণ্টা অতিক্রান্ত। চর্চা তবুও জারি – সেয়ানে সেয়ানে লড়াই চালিয়ে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে প্রথমে গোল করে এগিয়ে যাওয়া ইংল্যান্ডের পরজয়ের কারণ কী ? ৬০ বছর ধরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন জমিয়ে রাখা ইংল্যান্ডের আচমকা ভেঙে পড়ার কারণ কী?

আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ৫৫ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। গোলদাতা গর্ডন এবং বেলিংহ্যামকে আটকাতে মাঝে মাঝে হিমশীল খেতে হচ্ছিল আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগকে। অথচ আশ্চর্যজনকভাবে গোলের পর থেকেই ডিফেন্সে লোক বাড়াতে শুরু করেন ইংল্যান্ডের কোচ। ৭২ মিনিটে তুলে  নেওয়া হয় গোলদাতা গর্ডনকে। খেলা শেষ হতে প্রায় ১৮ মিনিট বাকি থাকতে টুখেল গর্ডনকে তুলে নিয়ে সেন্টার-ব্যাক এজরি কনসাকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেন। এরপর থেকে খেলাটি প্রায় পুরোপুরি আর্জেন্টিনার অনুকূলে চলে যায়।  কারণ সময় ধরলে ২৭ মিনিট ধরেই রক্ষণে ব্যস্ত থাকে ইংল্যান্ড এবং যা আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয়ে ওঠে। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ইংল্যান্ডের জার্মান কোচ থোমাস টাচেলকে ভীতু বলে অভিহিত করে তাঁর টেকনিক্যাল স্ট্র্যাটেজিকে তুলোধুনো করেছে। সাধারণ ফুটবল বোদ্ধরাও মনে করছেন খেলার শেষ দিকে ইংল্যান্ডের অতিরিক্ত রক্ষণশীল খোলসে ঢুকে পড়া ইংল্যান্ডের ভরাডুবির কারণ।এই রক্ষণশীল মনোভাবের জন্য ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকারা খড়্গহস্ত হয়ে উঠেছেন টিটি বা থোমাস টাচেলের বিরুদ্ধে। ৫৩ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের ম্যানেজার কোচকে দায়ী করার প্রসঙ্গে ইংল্যান্ডের প্রাক্তন তারকা বেকহ্যামের গোল করার পরে উচ্ছ্বাস এবং ম্যাচ শেষে কথা হতাশ মুখ বারবার বড় পর্দায় ভেসে ওঠা ছবি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

উল্লেখ্য, ফিল ফোডেন , কোল পালমার  ও ট্রেন্ট আলেকজ়ান্ডার আর্নল্ড সহ এক ঝাঁক তারকাকে বাদ দিয়ে ইংল্যান্ডে এবারে বিশ্বকাপে খেলতে এসেছিল। তথাপি সেমিফাইনালে ওঠার আগে পর্যন্ত ইংল্যান্ডের গ্রাফ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে সেমিফাইনাল  ম্যাচের আগে জন টেরি, জো কোল ও ইয়ান রাইটরা মন্তব্য করেছিলেন যে, স্কোয়াডের গভীরতার দিক থেকে ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনার চেয়ে এগিয়ে। জো কোল তো লিওনেল মেসিকে নিয়ে বেশ ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্য করে বলেছিলেন যে, তারা মেসিকে ‘ঘুমাতে বাধ্য’ করবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাঠের খেলায় ইংল্যান্ডকে বিদায় নিতে হয়। আর্জেন্টিনার হয়ে জয় সূচক দুটি গোলের পেছনেই ছিল মেসির অবদান। এখন গ্যারি নেভিল, ইয়ান রাইটদের মতো প্রাক্তন ফুটবলারদের দাবি, এগিয়ে থাকার পরও অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক কৌশল অবলম্বন করার ফলেই দলকে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে।।

ইংল্যান্ডের পরজয়ের কারণ কী ? #২০২৬ফিফাবিশ্বকাপ

About Post Author