Home » সফল চন্দ্রাভিযানের নেপথ্যে জলপাইগুড়ির বাঙালি বিজ্ঞানী কৌশিক নাগ

সফল চন্দ্রাভিযানের নেপথ্যে জলপাইগুড়ির বাঙালি বিজ্ঞানী কৌশিক নাগ

সময় কলকাতা ডেস্ক ,  ২৩আগস্ট : এক ঝাঁক মহাকাশ বিজ্ঞানীদের প্রচেষ্টায় নির্ধারিত সময়ের আগেই চাঁদের দক্ষিণ মেরু স্পর্শ করে ফেলল ভারতের চন্দ্রযান-3।  ইসরো (ISRO) টুইট করেছে দেশবাসীকে জানিয়েছে, চন্দ্রযান-৩ মিশন তার গন্তব্যে পৌঁছেছে। সফল হয়েছে চন্দ্রযান-৩। চাঁদে সফল অবতরণের জন্য ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীদের এবং সমগ্র দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইসরো (ISRO-)র বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে এদিন সুদূর আফ্রিকা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন,” এরকম ইতিহাস তৈরি দেখতে পারলে জীবন ধন্য হয়ে যায়।”এই বিজ্ঞানীদের মাঝে রয়েছে বাঙালি মুখ। যাদের জন্য বিশ্ব সভায় ভারত নিজের মুখ উজ্জ্বল করল তাঁদের একজন  কৌশিক নাগ। জলপাইগুড়ির কৌশিক নাগ  তাঁদের একজন যে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের সৌজন্যে ভারতের প্রতিটি মানুষের মুখে আনন্দের হাসি ও বুকে গৌরব।জলপাইগুড়িতে তরুণ মহাকাশ বিজ্ঞানী কৌশিক নাগের বাড়িতেও উৎসবের ছোঁয়া।

জলপাইগুড়ির বাসিন্দারা ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীদের সাফল্যে খুশি । আর এই খুশি আর গৌরব বাঁধভাঙা হয়ে উঠেছে ২৯ বছরের এক অল্প বয়সী বিজ্ঞানীর জন্য। জলপাইগুড়ির ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নাগ পরিবারের সন্তান কৌশিক নাগ। তিনি হলি চাইল্ড স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র, যিনি পরে জলপাইগুড়ি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে স্নাতক হন, চন্দ্রযান 3 প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

জলপাইগুড়ির বাসিন্দা হিসেবে  এই গৌরব অর্জনের  অংশীদার  হওয়ায় কোতোয়ালি থানার পক্ষে থেকে পুলিশ আধিকারিকরা কৌশিক নাগের বাড়িতে যান এবং তার কৃতিত্বের জন্য তার মা সোনালি নাগকে অভিনন্দন জানান।

উল্লেখ্য,নরেন্দ্র মোদী জানান, চাঁদের মাটিতে ভারত পা রেখেছে। এরকম ঐতিহাসিক ঘটনা দেশের চিরদিনের চেতনা হয়ে থেকে যাবে। এই মুহূর্ত অবিস্মরণীয়, অভূতপূর্ব। এটা গর্বের। গোটা দুনিয়া আজ আমাদের দিকে তাকিয়ে ছিল। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেই চন্দ্রযান-৩ লাইভ দেখছেন চিনের প্রধানমন্ত্রী শি জ়িনপিং।

অবতরণের সাক্ষী থাকতেইসরো(ISRO-)র অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে ৫ টা বেজে ৪৪ মিনিটে থেকে চোখ রেখেছেন ৪০ লাখ ৮৯ হাজার ৯০০ মানুষ। আর তা ক্রমাগত বাড়তি থেকেছে সময় যত গড়িয়েছে। অবশেষে ১৪০ কোটি দেশবাসীর চোখে আনন্দের রেশ ৬টা বেজে ৪ মিনিটে। দেশের প্রতিটি মানুষের মত আনন্দ উপচে পড়ছে জলপাইগুড়ির মানুষদেরও ।যে মহাকাশ বিজ্ঞানীরা এই আনন্দে ভারতকে শরিক করেছেন তাঁদের মধ্যে একজন তাঁদের ঘরের ছেলে কৌশিক নাগ আর তাই জলপাইগুড়িতে আনন্দ যেন বাড়তি মাত্রা পেয়েছে।

About Post Author