সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৩ আগস্ট : “জল বুঝে নিক সম্মতি, আর ঠোঁট বুঝে নিক ঠোঁটের মন…
কোথাও একটা প্রেম হয়েছে। আমরা ভাবি সাইক্লোন” লিখেছেন শ্রীজাত। কবি যাই বলুন, ঠোঁট অন্য ঠোঁটের মন বুঝল না, শ্বাপদ হিংস্র পশুর মত স্ত্রীর ঠোঁট ছিঁড়ে নিল স্বামীর দাঁত। প্রেম নয়, অপ্রেম – ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ হল দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার একটি ঘটনায়।বাসন্তী থানার অন্তর্গত ৭ নম্বর ঢুঁড়ি তিতকুমার গ্রামে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর ঠোঁট কামড়ে ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল ‘ মদ্যপ’ স্বামীর বিরুদ্ধে। মদ্যপ স্বামী রাকিব শ্বশুরবাড়ি গিয়ে স্ত্রী প্রিয়ার ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে।কামড়ে ছিঁড়ে নেয়স্ত্রীর ঠোঁট। মুহূর্তের মধ্যেই স্ত্রী আর্তনাদ করতে শুরু করে। ছুটে এসে ঘটনার প্রতিবাদ করে শাশুড়ি। অভিযোগ, তাকেও মারধর করতে শুরু করে অভিযুক্ত।
বছর খানেক আগেই বিয়ে হয়েছিল রাকিব – প্রিয়ার।সংসার চলছিল ভালোবাসা নিয়েই। এরমধ্যেই প্রিয়া অন্তঃসত্ত্বা হয়। এতদূর পর্যন্ত ঠিক ছিল। অন্তঃসত্ত্বা হতেই বাপের বাড়ি চলে যায় প্রিয়া। বাপের বাড়িতে মায়ের তত্ত্বাবধানে ছিল প্রিয়া। রাকিব আচমকাই মঙ্গলবার রাতে শ্বশুরবাড়িতে উদয় হয়। প্রতিবেশীদের ধারণা,দীর্ঘ অদর্শনে স্ত্রীকে কাছে পেতেই উদগ্রীব ছিল সে। দীর্ঘদিন বাদে শারীরিকভাবে মিলনের আকাঙ্খাও ছিল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। মদ খেয়ে শশুর বাড়ি এসে স্ত্রীকে অত্যাচার করার আগে প্ৰিয়া -রাকিবের মধ্যে সামান্য কিছু কথা হয়েছিল। অতঃপর উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের মধ্যে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে চুম্বন করতে উদ্যত হয় রাকিব। রোমাঞ্চ নয়, এক পলকের মধ্যে তীব্র ব্যথা অনুভব করে প্রিয়া। বাধা দেওয়ার আগেই ঠোঁটের কিছুটা কামড়ে ছিঁড়ে ফেলে রাকিব। মেয়ের আর্তনাদ ও গোঙানি শুনে আসেন মা আজমীরা বেগম। রক্তারক্তি কাণ্ড দেখে তিনি প্রতিবাদ করেন তিনি। ক্ষিপ্ত হয়ে রাকিব শাশুড়িকে মারধর করতে শুরু করেন। প্রতিবেশীরা হইচই শুনে এসে তাকে রক্ষা করেন। গুরুতর আহত প্রিয়াকে নিয়ে যাওয়া হয় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। পুলিশ বিষয়টির দিকে নজর রেখেছে।।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ