Home » রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাজে গতি বাড়াতে নয়া কর্মসূচি রাজ্যপালের

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাজে গতি বাড়াতে নয়া কর্মসূচি রাজ্যপালের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ সেপ্টেম্বরঃ উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরেও উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে শুরু হয়েছে নয়া বিতর্ক। তারই মধ্যে বিধানসভায় পাশ হওয়া পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন বিলটি তিনি সই করেননি। মঙ্গলবারই রাজভবনের হলফনামা চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেসব তৈরি না করেই এবার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির কাজে গতি বাড়াতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। যার নাম ‘স্পিড প্রোগ্রাম’। মঙ্গলবার রাতেই রাজভবনের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সেখানে বলা হয়েছে,‘শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত ২৫ টি কমিটি গঠনের কথা। এমনকী যা কাজ বাকি রয়েছে সেগুলি দ্রুত শেষ করার কথাও বলা হয়েছে। রাজভবনের তরফে ইতিমধ্যেই একটি মনিটরিং সেলও চালু করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা যে কোন সময় রাজ্যপালের ওই মনিটরিং সেলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। একটি হেল্পলাইন নম্বর ও ইমেল চালু করা হয়েছে। হেল্পলাইন নম্বরটি হল ০৩৩-২২০০১৬৪২। ইমেল হল- aamnesaamne.rajbhavankolkata@gmail.com।

উল্লেখ্য, রাজ্য-রাজভবন সংঘাত নতুন নয়। বিভিন্ন ইস্যুতে এর আগেও একাধিকবার রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের মতানৈক্য হয়েছে। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি উড়িয়ে রাজ্যের ১৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়, ‘আচার্যের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান উপাচার্যই। তাঁর অধীনস্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কর্মী উপাচার্যের নির্দেশই মেনে চলবেন, অন্য কারও নয়। সরকার তাঁদের নির্দেশ দিতে পারে, কিন্তু সেই নির্দেশ মানতে বাধ্য নয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলি।’ এই নির্দেশিকার ফলে নতুন করে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত চরমে ওঠে।

আরও পড়ুন    নিম্নচাপের জেরে দক্ষিণবঙ্গে ৩ জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রসঙ্গত, উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাত নতুন কিছু নয়। এর আগেও রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অস্থায়ী ১৪ জন উপাচার্য নিয়োগ করেছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। এরপরই রাজ্যপাল যে ১৪ জন উপাচার্যদের নিয়োগ করেছেন, তাঁদের উপাচার্য হিসেবে পারিশ্রমিক ও ভাতা না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য উচ্চশিক্ষা দপ্তর। জানা গিয়েছে, রাজ্যের সঙ্গে কোনরকম আলোচনা না করেই ওই উপাচার্যদের নিয়োগ করা হয়েছে। রাজ্যপাল নিযুক্ত উপাচার্যদের বেতন ও ভাতা বন্ধের নির্দেশ জানিয়ে সে নির্দেশিকা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সব রেজিস্ট্রারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানা গিয়েছিল। এরপর উপাচার্য নিয়োগের বৈধতা তুলে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল। সেসময় হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, রাজ্যপাল যে উপাচার্যদের নিয়োগ করেছিলেন তা বৈধ।

About Post Author