Home » অভিষেকের আপ্তসহায়ককে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে হলফনামা জমার নির্দেশ হাইকোর্টের

অভিষেকের আপ্তসহায়ককে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে হলফনামা জমার নির্দেশ হাইকোর্টের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ অক্টোবর: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রায় ১০ ঘণ্টা ইডি অফিসে জেরা। রাত ১০টার কিছু আগে ইডি অফিস থেকে বেরোন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই সোমবার ডাকা হয়েছিল অভিষেকের আপ্তসহায়ককে। এর আগে ইডির নোটিসের বিরুদ্ধে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলে সুমিত। যত শীঘ্র সম্ভব শুনানির আবেদন জানিয়ে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। শুক্রবার সুমিতের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ইডির আইনজীবীকে সুপারিশ করেন, সোমবার বেলা সাড়ে ১০টার পরিবর্তে বেলা ১২টায় হাজিরার সময়সীমা ধার্য করা হোক। সেইমতো ইডির তলবে সাড়া দিয়ে এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ ইডির অফিসে পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি।

প্রায় দশ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব শেষে রাত ১০টার কিছু আগে ইডি দফতর থেকে বেরোন তিনি। কী কী বিষয় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ‘নো কমেন্ট্স। কিছু বলব না।’ ইডি অফিসে আবার তাঁকে ডাকা হয়েছে কি না, প্রশ্ন করায় তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, ‘না, ডাকা হয়নি।’ এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৪ ডিসেম্বর হবে বলেই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে।  ততদিন পর্যন্ত সুমিতের বিরুদ্ধে ইডি কোনও কড়া পদক্ষেপ করলে তিনি আদালতে আসতে পারবেন বলেও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। একই সঙ্গে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ইডিকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও তিনি দিয়েছেন। এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় একাধিকবার তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছিল ইডি। তিনি সমস্ত নথিপত্র নিয়ে হাজিরাও দিয়েছেন। 

আরও পড়ুন   ভারতের প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার এম এস গিল প্রয়াত

এরপর অভিষেকের মা-বাবাকেও তলব করা হয়েছিল। যদিও তাঁরা কেউ ইডি দফতরে হাজিরা দেননি। চলতি সপ্তাহে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছিল। প্রসঙ্গত, দু’সপ্তাহ আগেই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের সম্পত্তি ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল ইডিকে। ইডির তদন্তের গতি নিয়েও এদিন বিচারপতি আদালতে প্রশ্ন তোলেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা এবং অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী বিচারপতি সিনহা নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে তদন্তকারী অফিসার মিথিলেশ কুমার মিশ্রকে অবিলম্বে এই তদন্ত প্রক্রিয়া থেকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

About Post Author