সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৯ অক্টোবর: দুর্গা পুজো এসেছে। মায়ের উৎসব উদযাপনে নগর গ্রাম সেজেছে,বাঙালি মেতে উঠেছে প্রাণের উৎসবে। বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের পূর্ব নবাসন পঞ্চায়েতের ভাটপাড়া কলোনির সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো খুব একটা পুরোনো নয়। বাঙালির পাঁচশো বছরের বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজোর ইতিহাসে সোনামুখীর সরকার পরিবারের দুর্গাপুজো একেবারেই নবীন বলা চলে। এবারে অষ্টম বর্ষে পদার্পণ করল সরকারবাড়ির পুজো। সে অর্থে এই পুজোকে বনেদি না বলে পারিবারিক পুজোর গোত্রভুক্ত করা যায়।
“শুভ্র শঙ্খরবে সারা নিখিল ধ্বনিত।
আকাশতলে অনিলে-জলে, দিকে-দিগঞ্চলে,
সকল লোকে, পুরে, বনে-বনান্তরে
নৃত্যগীতছন্দে নন্দিত।”
আরও পড়ুন গোস্বামীখন্ডের দুর্গাপুজো ও নারীস্বাধীনতা
তথাপি দুর্গাপুজো এক ও অতুলনীয়। পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে মাতৃপক্ষের সূচনালগ্ন থেকেই সেজে ওঠে সরকার বাড়ি যা ষষ্ঠীর প্রাক মুহূর্তে। দুর্গাপুজো বাঙালির সর্ববৃহৎ উৎসব,আনন্দের উৎসব, প্রাণের উৎসব। সরকার পরিবারে দুর্গা পুজোকে কেন্দ্র করে আনন্দ উচ্ছ্বাসও চোখে পড়ার মতো। তবে শুধুমাত্র সরকার পরিবার নয় সোনামুখী ব্লকের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের সাধারণ মানুষরা এই পুজোকে কেন্দ্র করে আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন। রকমারি আলোকসজ্জায় সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোটা এলাকা। ঘটা করে উদযাপন হয় উৎসব আর নিষ্ঠাভরে হয় পুজো। পঞ্চমীর আগেই পুজোর সব প্রস্তুতি সাঙ্গ। অপেক্ষা দেবীর বোধনের। ষষ্ঠী থেকে দশমী ঘটা করে চলবে পুজো।
আরও পড়ুন পঞ্চগ্রাম : সম্প্রীতির দুর্গা,উত্তরণের দিশা
সোনামুখী ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসে চলেছে উৎসব উদযাপনে। ষোড়শ শতকে রাজা কংসনারায়ণ থেকে শুরু করে আজকের সরকার বাড়ি, রাজবাড়ি থেকে বনেদি বাড়ি হয়ে পারিবারিক পুজোর বাঙালির উৎসব ঐতিহ্য-দুর্গোৎসবের গরিমার বৃত্তের পরিসর বেড়ে চলেছে। চলছে অন্ধকার কাটিয়ে আলোয় প্রবেশের দিনের বন্দনা।
\\ওঁ সৰ্ব্বমঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সর্ব্বার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণি নমোহস্তু তে\\
দুর্গাপুজো দুর্গতিবিনাশ ও প্রসন্নতা লাভের মন্ত্র উচ্চারণে আনন্দ উদযাপনের তিথি। এই পুণ্য তিথিতে সোনামুখীর সরকার বাড়িও আপামর বাঙালির মত দশভূজার আরাধনায় মগ্ন।।


More Stories
তৃণমূলের শ্বাসকষ্টের আরেক শিকার অভিষেক ঘনিষ্ঠ শুভ্রকান্তির পদত্যাগ
অর্জুন সিংকে ‘চমকানো’ বনিকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরালো পুলিশ
“দত্তপুকুরের শাহজাহান “গোপাল কাঞ্জিলালকে আদালতে তোলা হল