Home » East Bengal: মহেশের গোল বিফলে, সপ্তমীর বিকেলেও হার লাল-হলুদের

East Bengal: মহেশের গোল বিফলে, সপ্তমীর বিকেলেও হার লাল-হলুদের

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২১ অক্টোবর: পুরনো রোগ পিছু ছাড়ছে না ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal)। গত মরশুমে প্রথমে এগিয়ে গিয়েও গোল হজম করা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিল কলকাতার এই প্রধান ক্লাব। সেই রোগ সারাতে নতুন মরশুমে ‘নতুন বদ্যি’ নিয়ে আসা হয়েছে। তবু রোগ যে কে সেই রয়ে গিয়েছে। শনিবার ভুবনেশ্বরের মাঠে সেই রোগেই আক্রান্ত হল ইস্টবেঙ্গল। চলতি ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (Indian Super League) নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে ৭৪ মিনিট পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও জিততে পারলনা লাল-হলুদ। দু’মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল হজম করে ফের হারতে হল কার্লেস কুয়াদ্রাতের ছেলেদের। সপ্তমীর বিকেলেও হেরে মাঠ ছাড়তে হল তাঁদের।

দুর্গাপুজোর সপ্তমী থাকায় ভুবনেশ্বরে হোম ম্যাচ খেলতে হচ্ছে ইস্টবেঙ্গলকে। প্রশাসন ব্যস্ত কলকাতার নামী পুজোগুলির ভিড় সামাল দিতে। তাই ম্যাচের স্থান পরিবর্তন। তবু গোটা গ্যালারিতে দেখা গেল বিভিন্ন জায়গার পতাকা নিয়ে হাজির ছিলেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা। তাঁরা ভেবেছিলেন প্রিয় ক্লাবের জয় দেখেই সপ্তমীর বাকি রাতটা বাড়তি উৎসব পালন করবেন। তবে নিরাশ হয়েই ফিরতে হল লাল হলুদ সমর্থকদের।

আরও পড়ুন: পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগানে বাঁধা পুলিশের, বিপাকে পড়তে পারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

যদিও ম্যাচের শুরুটা খারাপ করেনি লাল-হলুদ শিবির। নিজেদের মধ্যে পাস খেলে আক্রমণে উঠছিলেন ক্লেইটন, মহেশরা। তবে গোলমুখ খুলতে পারেননি। উল্টোদিকে গোয়াও বেশ কয়েকবার গোলের সামনে পৌঁছে গিয়েছিল। কাঙ্ক্ষিত গোলের সন্ধান পায়নি তাঁরাও। ৪২ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলটি পায় ইস্টবেঙ্গল। বল পায়ে ডান প্রান্ত ধরে দৌড় শুরু করেন নন্দকুমার। বক্সের কাছাকাছি গিয়ে বল বাড়ান ক্লেইটনকে উদ্দ্যেশ্য করে। সেই বলে নিজে শট না মেরে ছেড়ে দেন মহেশের জন্য। চলতি বলে অনবদ্য শটে বল জালে জড়িয়ে দেন মহেশ। প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত আর কোনও গোল হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে সংঘবদ্ধ ভাবে গোল শোধের মরিয়া চেষ্টা করে গোয়া এফসি। বাঁ প্রান্ত থেকে বল নিয়ে বারবার আক্রমণে উঠছিলেন ব্র্যান্ডন ফার্নান্দেজ। ফ্রিকিকে বৈচিত্র্য দেখাচ্ছিল লাল হলুদ ফুটবলাররা। তবে কাজের কাজ হয়নি। উল্টে দ্বিতীয়ার্ধের ৭৪ মিনিটে সমতা ফেরায় গোয়া। ভিক্টর রদ্রিগেসের ফ্রিকিক থেকে হেডে গোল করেন সন্দেশ ঝিঙ্ঘন। সমতায় ফেরানোর এক মিনিটের মধ্যে ফের গোল পায় গোয়া। প্রতি আক্রমণে গোল করেন ভিক্টর। পাওলো রেত্রে বল বাড়ান ভিক্টরকে। তিনি চলতি বলে নিখুঁত ফ্লিক করে বল জড়িয়ে দেন জালে। ঝাঁপ দিয়েও বলের নাগাল পাননি লাল হলুদ গোলরক্ষক। খেলায় আর সমতা ফেরাতে পারেনি লালহলুদ।

About Post Author