Home » ঝালদা পুরসভার চেয়ারপার্সন শীলা চট্টোপাধ্যায়ের অপসারণের দাবিতে জোড়া মামলা হাইকোর্টে

ঝালদা পুরসভার চেয়ারপার্সন শীলা চট্টোপাধ্যায়ের অপসারণের দাবিতে জোড়া মামলা হাইকোর্টে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ নভেম্বরঃ ঝালদা পুরসভা নিয়ে জট দীর্ঘদিনের। গত ১৯ জানুয়ারি দলবিরোধী কাজের অভিযোগে শীলা চট্টোপাধ্যায়ের কাউন্সিলর পদ খারিজ করেন ঝালদার মহকুমা শাসক ঋতম ঝা। যদিও হাইকোর্টের নির্দেশে ওই পুরসভায় চেয়ারপার্সন পদে বহাল রয়েছেন শীলা চট্টোপাধ্যায়। এবার শীলা চট্টোপাধ্যায়ের অপসারণ চেয়ে ফের মামলা হল আদালতে। একটি নয়, এক জোড়া মামলা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এর মধ্যে একটি মামলা করেছেন মৃত কাউন্সিলরের স্ত্রী তথা বর্তমান কংগ্রেস কাউন্সিলর পূর্ণিমা কান্দু। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে সেই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন    চেন্নাই সুপার কিংসে ধাক্কা, আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন তারকা অলরাউন্ডার

পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার কাউন্সিলক তপন কান্দুর মৃত্যুর পর থেকেই বারবার শিরোনামে এসেছে ঝালদা পুরসভা। এই পুরসভায় মোট ১২টি ওয়ার্ড রয়েছে। গত পুরভোটে কংগ্রেস ও তৃণমূল প্রত্যেকে ৫টি করে আসন পেয়েছিল। বাকি ২টি আসনে জিতেছিলেন নির্দল প্রার্থী শীলা চট্টোপাধ্যায় ও সোমনাথ কর্মকার। তাঁদের সমর্থন নিয়ে প্রথমে বোর্ড গঠন করেছিল তৃণমূল। পরে একে একে ওই দুজনই সমর্থন প্রত্যাহার করে নেন। এরপর নির্দল কাউন্সিলর সোমনাথ যোগ দেন কংগ্রেসে, আনাস্থাও আনে কংগ্রেস। যেহেতু সেই সময় শীলা চট্টোপাধ্যায় ‘ফ্যাক্টর’ হয়ে উঠেছিলেন, তাই কংগ্রেস তাঁকে চেয়ারপার্সন করার কথা ঘোষণা করে। শীলা চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে মামলা হয়েছে আগেও। তাঁকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছিলেন ঝালদার মহকুমা শাসক। সেই ইস্যুতে মামলা হলে ডিভিশন বেঞ্চ অপসারণের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। আর এবার সেই চেয়ারপার্সনকে সরানোর দাবিতে হল মামলা।

আরও পড়ুন    সুপ্রিম কোর্টের প্রথম মহিলা বিচারপতি এম ফাতিমা বিবি প্রয়াত

উল্লেখ্য, ঝালদায় পুরসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল ত্রিশঙ্কু ফলাফল হয়। পরে নির্দলের সমর্থন নিয়ে বোর্ড গড়ে তৃণমূল। এরমধ্যেই খুন হয়ে যান কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দু। সেই তদন্ত এখনও চলছে। এর আগে নভেম্বরে ঝালদায় নির্দলে জিতে তৃণমূলে যাওয়া এক কাউন্সিলর শাসকদল ছাড়ার কথা ঘোষণা করার পরেই সংখ্যা সঙ্কট তৈরি হয়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গত ২ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জবা মাছুয়াকে ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান করার কথা। তা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশ মতো ১৬ জানুয়ারি ঝালদার পুরপ্রধান নির্বাচনের দিন ধার্য করা হয়েছিল। সেখানে ১২ আসনের পুরসভায় ৭-০ ব্যবিধানে জেতেন কংগ্রেসের শীলা চট্টোপাধ্যায়। শীলা চট্টোপাধ্যায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে তাঁর কাউন্সিলর পদ খারিজ করে নোটিস জারি করেন স্থানীয় মহকুমা শাসক। এমনকী তাঁকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল কংগ্রেস।

About Post Author