স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৩০ নভেম্বর: এক গোলে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন রিয়াল মাদ্রিদের। বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সি গ্রুপের ম্যাচে নাপোলিকে হারাল কার্লো আন্সেলোত্তির ছেলেরা। খেলার ফল রিয়াল মাদ্রিদের পক্ষে ৪-২। এদিনও তাদের হয়ে গোল করেন জুড বেলিংহাম। সব মিলিয়ে রিয়ালের জার্সিতে ১৬ ম্যাচে ১৫টি গোল হয়ে গেল ইংল্যান্ডের তরুণ মিডফিল্ডারের। ‘সি’ গ্রুপ থেকে ৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে আগেই শেষ ষোলোয় জায়গা নিশ্চিত করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। বুধবার রাতে তাই নাপোলির বিরুদ্ধে ম্যাচটি ছিল এক প্রকার নিয়মরক্ষার। তবে ঘরের মাঠে পুরো ৩ পয়েন্ট পেতে মরিয়া হয়ে মাঠে নামে চতুর্দশবারের ইউরোপ সেরারা। তবে এদিন কিছুটা খেলার বিপরীতে গিয়ে গোল হজম করে লস ব্লাঙ্কোরা।

খেলার মাত্র ৯ মিনিটের মাথায় গতবারের ইতালি সেরাদের এগিয়ে দেন জিওভানি সিমিওন। অবশ্য গোলটি নিয়ে তৈরি হয়েছিল নাটকীয়তা। প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হয়েছিল বলটি বাচিয়ে দিয়েছেন রিয়াল গোলরক্ষক লুনিন। তবে রেফারি গোললাইন টেকনোলজির মাধ্যমে নিশ্চিত করে দেন বল অল্পের জন্য লাইন অতিক্রম করেছে। গোল হজম করে তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ শুরু করে রিয়াল। ১১ মিনিটের মাথায় রিয়ালকে সমতায় ফেরান রড্রিগো। ২২ মিনিটে এগিয়ে যায় রিয়াল। এবার গোলদাতা জুড বেলিংহাম। প্রথম চারটি ইউরোপিয়ান টুর্নামেন্টের ম্যাচেই গোল করে ক্লাব ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে নজির গড়লেন তিনি। প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও কাজে লাগাতে পারেননি ব্রাহাম ডিয়াজরা। দ্বিতীয়ার্ধে বরং আংগুইসার গোলে খেলায় সমতা ফেরায় নাপোলি। গোল হজম করে ফের চাপ বাড়াতে থাকে মাদ্রিদ।

আরও পড়ুন নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে বিধাননগরের তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজের বাড়িতে সিবিআই হানা
একটা সময় মনে হচ্ছিল ম্যাচ ড্রয়ের দিকে গড়াচ্ছে। তবে শেষের ১০ মিনিট ফের একবার রিয়াল প্রমাণ করল ইউরোপীয় ফুটবলে কেন তাঁরাই সেরা। ৮৪ মিনিটে রিয়ালকে ফের এগিয়ে দেম পরিবর্ত হিসেবে নামা নিকো পাজ। আর দ্বিতীয়ার্ধের সংযুক্তি সময়ে স্কোরবোর্ড ৪-২ করেন আরেক বদলি জোসেলু। শেষের গোলটির ক্ষেত্রে অবদান জুড বেলিংহামের। এদিন ম্যাচের সেরাও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। প্রতি ম্যাচে গোল করা অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন জুড বেলিংহাম। মিডফিল্ডার হয়েও ধারাবাহিক গোল করে পিছনে ফেলছেন স্ট্রাইকারদেরও। ইতিমধ্যে যার সঙ্গে তুলনা টানা হচ্ছে ফরাসী ও রিয়াল মাদ্রিদ কিংবদন্তী জিনেদিন জিদানের। বুধবার নাপোলিকে হারিয়ে এই তুলনা উস্কে দিয়েছেন স্বয়ং রিয়াল কোচ কার্লো আন্সেলোত্তি। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, ‘দুই প্রজন্মের মধ্যে তুলনা করা কঠিন কাজ। প্রতিপক্ষের বক্সের মধ্যে বেলিংহামের যে সামর্থ্য আমি দেখি, সেটা জিদানের ছিল না। জিদানের যে ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ছিল, সেটা আবার বেলিংহামের নেই।’ শুধু তাই নয় ইংল্যান্ডের এই তরুণের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে বর্ষীয়ান এই কোচের গলায়।


More Stories
লালহলুদের ইলিশ উৎসব ধূপগুড়িতে
আকিব নবীর হয়ে সরব বেঙ্গসরকার, তাঁর দাবি ঘরোয়া ক্রিকেট বন্ধ করে দেওয়া হোক
প্লে-অফে যেতে হলে কেকেআর-কে কী করতে হবে? কলকাতার সামনে কোন পথ খোলা?