Home » ডিএ বৃদ্ধির পরদিনই নবান্নের সামনে বিক্ষোভ আন্দোলনকারীদের, ধস্তাধস্তি পুলিশের সঙ্গে

ডিএ বৃদ্ধির পরদিনই নবান্নের সামনে বিক্ষোভ আন্দোলনকারীদের, ধস্তাধস্তি পুলিশের সঙ্গে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ ডিসেম্বর: বৃহস্পতিবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করেছেন। কিন্তু সেই ডিএ নিতে অস্বীকার করেছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁদের বক্তব্য, এই ভিক্ষার তাঁদের প্রয়োজন নেই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার রেশ এখনও কাটেনি। শুক্রবার সকাল থেকে নবান্নের সামনে জড়ো হন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। এদিন পুলিশ তাঁদের বাধা দেয় বলে অভিযোগ। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের তর্কাতর্কি হয়। বকেয়া ভাতা ও স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলন শুক্রবার ৩৩০ দিনে পড়ল। কিন্তু সেই আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল শহিদ মিনার থেকে। তাঁদের এই আন্দোলন এবার নবান্নের কাছে। নবান্নের সামনে ধর্ণায় বসার জন্য আগেই আদালতের থেকে অনুমতি নিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

আরও পড়ুন   সপ্তাহান্তে চড়বে তাপমাত্রার পারদ, জেনে হাওয়া অফিসের বড় আপডেট

শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ শর্তসাপেক্ষে ডিএ আন্দোলনকারীদের ধরনা কর্মসূচিতে অনুমতি দেয়। শনিবার বিকাল চারটে পর্যন্ত নবান্নের সামনে ধরনায় বসতে পারবেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। এটাকে ‘বড় জয়’ হিসাবেই দেখছেন আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারীরা।আদালতে তাঁরা জানিয়েছিলেন নবান্নে বাসস্ট্যান্ডের সামনে ব্রিজের নীচে তাঁরা ধর্ণায় বসবেন। কিন্তু এই জায়গায় ধর্ণায় বসতে দিতে চাইছে না কলকাতা পুলিশ। আন্দোলনকারীরা এদিন সকাল সাড়ে ছ’টার মধ্যেই নবান্নের সামনে চলে আসেন। তাঁরা নিজেরা বাসস্ট্যান্ডের সামনে ব্রিজের নীচে জায়গা নির্দিষ্ট করেছিলেন। আদালতের কাছে তাঁরা জানিয়েছিলেন, ব্রিজের নীচেই তাঁরা অবস্থান বিক্ষোভ করবেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে যখন তাঁরা সেখানে আসেন, পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়।

 

পুলিশের তরফে আন্দোলনকারীদের জানানো হয়েছে, নবান্নের কাছে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। সেখানে মাইকিং করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। কোনও রকম উত্তেজনার পরিস্থিতি সৃষ্টি করা যাবে না বলেও জানিয়ে দেয় পুলিশ। প্ল্যাকার্ড হাতে বাসস্ট্যান্ডে বসে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। তিন দিনের জন্য ধর্ণায় বসেছেন তাঁরা। শুক্রবার সকাল থেকে নবান্ন চত্বর ডিএ আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। আইনি পথে লড়াই চালিয়ে যাবেন, হুঁশিয়ারি আন্দোলনকারীদের। বৃহস্পতিবার রাতেই ধরনাস্থল পরিদর্শনে যান সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আন্দোলনকারীদের একাংশ। শুক্রবার সকাল থেকেই নবান্ন বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায় সংগঠনের প্রতিনিধিদের। পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্ত বচসাতেও জড়িয়ে পড়ে তারা। এদিকে, তিন দিন নবান্ন বাসস্ট্যান্ডে ডিএ আন্দোলনকারী সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চকে ধরনার অনুমতি দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার মামলাটি ওঠে প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে। এদিন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ধরনার সময় কমিয়ে অনুমতি দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

About Post Author