পুরন্দর চক্রবর্তী ও চুমকী সূত্রধর,সময় কলকাতা ,৪ মে : 2024 Loksabha Elections দু দফায় লোকসভা ভোট শেষ। তৃতীয় দফার লোকসভা ভোট ভারতের ৯৪ টি কেন্দ্রে। এই ৯৪ টি কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে বঙ্গের ৪ টি কেন্দ্র। এই চারটি কেন্দ্র মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর, মালদা উত্তর ও মালদা দক্ষিণ। তবে এই চারটি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে নজরে রয়েছে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্র। কেন মুর্শিদাবাদ কেন্দ্র এবারের ভোটে সবচেয়ে বেশি নজরে? দেখে নেওয়া যাক এই লোকসভা কেন্দ্রটিকে।
মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রটি মুর্শিদাবাদ জেলার ছটি এবং নদীয়া জেলার একটি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে গঠিত। নদিয়া জেলার একমাত্র যে বিধানসভা কেন্দ্রটি মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে সেটি হল করিমপুর। অন্য ছটি বিধানসভা কেন্দ্রই মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত এগুলি হল ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, হরিহরপাড়া, ডোমকল ও জলঙ্গি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ লোকসভার অন্তর্গত একমাত্র মুর্শিদাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রটিতে জয়ী হন বিজেপির গৌরীশংকর ঘোষ। তিনি প্রায় আড়াই হাজার ভোটে হারিয়ে দেন তৃণমূলের শাওনি সিংহ রায়কে। মুর্শিদাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক গৌরী শংকর ঘোষকেই এবার বিজেপি মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে। কিন্তু প্রশ্ন, মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে আদৌ কি বিজেপির সম্ভাবনা রয়েছে? রাজনৈতিক মহল এবং মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রটিকে ভালোভাবে জানেন এরকম রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির সামান্যতম সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছেন। মনে করা হচ্ছে এই লোকসভা কেন্দ্রের অন্য দুই প্রার্থীর মধ্যেই মূলত লড়াই হবে এবং বিজেপি তাদের জয় পরাজয়ের অন্যতম প্রধান নির্ধারক হয়ে উঠবে। এই লোকসভা কেন্দ্রে অন্য দুই প্রার্থী তৃণমূল কংগ্রেসের আবু তাহের খান এবং কংগ্রেস সমর্থিত সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ সেলিম। আবু তাহের খান ২০১৯ সালে এই কেন্দ্রের সাংসদ নির্বাচিত হন। এই কেন্দ্রে ভোটপ্রচারের শেষ পর্বে যা হাওয়া, সেখানে একটি বিষয় ইতিমধ্যেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, আবু তাহের খানকে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ফেলে দিতে চলেছেন বর্ষীয়ান বাম নেতা মহম্মদ সেলিম। মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রের পরিসংখ্যানগত সমীকরণও বলছে এবার বিদায়ী সাংসদ আবু তাহের খানের জয় খুব একটা সহজ হবে না। যদিও এখানে ছটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক শাসক দলের তবুও বিগত লোকসভার ফলাফলের নিরিখেই বলা যায়, বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস দুটি দলের বেশ ভালো সংখ্যায় ভোট রয়েছে। ২০১৯ সালে এখানে আবু তাহের ২ লক্ষ ২৭ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন, দ্বিতীয় হয়েছিলেন কংগ্রেসের আবু হেনা। আবু তাহের পেয়েছিলেন ৬ লক্ষ ৪ হাজার ভোট যেখানে আবু হেনার পক্ষে ভোট পড়েছিল ৩ লক্ষ ৭৭ হাজার। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাম ও কংগ্রেস আলাদা আলাদা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। বাম প্রার্থী বদরুদ্দোজা খান গত লোকসভা নির্বাচনে পান এক লক্ষ আশি হাজার ভোট। এবার বাম কংগ্রেস একসাথে লড়ছে, গত লোকসভা নির্বাচনের বাম কংগ্রেসের ভোট যোগ করলে দেখা যাবে তৃণমূলের আবু তাহের খান বাম কংগ্রেসের চেয়ে মাত্র ৪৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছিলেন। অর্থাৎ পরিসংখ্যান বলে যদি তৃণমূলের ভোট সামান্য কিছু কমে এবং বামেদের ভোট কিছু বাড়ে তাহলেই ২০১৯ সালে রায়গঞ্জ কেন্দ্রে সংসদীয় নির্বাচনে পরাজিত হওয়া মহম্মদ সেলিম জিততেই পারেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে বাম কংগ্রেস মুর্শিদাবাদে কতটা একজোট হয়ে লড়তে পারবে? মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে জোট ধর্ম পালন করে কংগ্রেস বামফ্রন্টকে আসনটি ছেড়ে দেয়, যদিও ২০১৯ সালে এখানে লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস সিপিএম প্রার্থীর চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ভোট পেয়েছিল। কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট জোট করায় অধীর চৌধুরী নিজে প্রবীণ সিপিএম নেতা ও সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে ভোটের হয়ে লড়ুন, এমনটাই চেয়েছিলেন। মুর্শিদাবাদ জেলার বিগত কয়েক দশক ধরেই সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা অধীর চৌধুরী পাশে থাকায় জোটে কংগ্রেসের সমর্থন পাওয়া মহম্মদ সেলিমের কাছে আশীর্বাদস্বরূপ হতেই পারে। কিন্তু হাতে হাত ধরে বাম কংগ্রেসের পথ চলার মধ্যে সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সমস্যা দেখা দিয়েছিল ভগবানগোলাকে ঘিরে। লোকসভা ভোটের পাশাপাশি দেশজুড়ে উপনির্বাচনও। তার মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ভগবানগোলা । ভগবানগোলায় কংগ্রেস প্রার্থী করেছে অঞ্জু বেগমকে। এরপরই সিপিএম কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দেন। বিক্ষোভ শুরু করেন। বামফ্রন্ট কর্মীদের – মূলত স্থানীয় সিপিএমের দাবি ওঠে , উপনির্বাচনে ঘোষণা করতে হবে বামফ্রন্টের প্রার্থীর নামও। এমনকী, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করা হয়। সিপিএম-এর নিচুতলার কর্মীদের দাবি, উপ নির্বাচনে বাম প্রার্থী দেওয়া হোক।এতে প্রবল ক্ষুব্ধ অধীর চৌধুরী বলেন, জোট ভাঙলে ভাঙুক। কারণ কংগ্রেসের তরফে পাল্টা যুক্তি হিসেবে বলা হয়, মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে বর্তমানে কংগ্রেসের শক্তি বেশি থাকলেও জোটশর্ত মেনেই আসনটি সিপিএমকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ভগবানগোলায় জোট শর্ত মেনে কংগ্রেস প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বামেদের ক্ষোভ-বিক্ষোভ অর্থহীন। এখন প্রশ্নও এই বিষয়ে। এরকম বিভিন্ন ইস্যু ঘিরে বাম কংগ্রেসের মধ্যে কিছু দূরত্ব ছিলই। এরজন্য অধীর চৌধুরী নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে বাম-কংগ্রেস সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব না পড়লেই মহম্মদ সেলিমের লাভ। মহম্মদ সেলিম বা অধীর চৌধুরীর কথা মেনে কংগ্রেস প্রার্থীরা মহম্মদ সেলিমকে সমর্থন করলে মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে তীব্র লড়াইয়ের সম্ভাবনা । আর সেজন্য শুরু থেকেই অধীর চৌধুরীকে দেখা যাচ্ছে কর্মীদের মনোবল বাড়াতে এবং বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে ভোকাল টনিক ছড়িয়ে দিতে। তাঁর বক্তব্যে তৃণমূলকে আক্রমণ করার পাশাপাশি একযোগে বাম- কংগ্রেসের যৌথ শক্তির কথা জাহির করতে ছাড়ছেন না।

মনে রাখতে হবে ২০১৪ সালেও এই লোকসভা কেন্দ্রে কংগ্রেস ও সিপিএমের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল।সেবার দু দলের প্রার্থী দুজনেই ৪ লাখের বেশি ভোট পেয়েছিলেন। বেশ কিছুটা পেছনে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে বিজেপির ভোট বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আশ্চর্যজনক ভাবে সিপিএমের ভোট যায় কমে। ধর্মীয় মেরুকরণের প্রভাব নিশ্চিতভাবেই পড়ে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে। লাভবান হয় তৃণমূল কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবে এবারও ভোটের ফলাফলের জন্য রাজনৈতিক মহল চোখ রাখছেন মুসলিম ভোটাররা কোন দিকে যান। মাথায় রাখতে হবে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের প্রায় ৬৯ শতাংশ ভোটার ছিলেন মুসলিম। মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে জলঙ্গি, মুর্শিদাবাদ ও করিমপুর বাদ দিলে বাকি চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা প্রায় আশি শতাংশ বা তারও বেশি। ভগবানগোলায় মুসলিম ভোটার রয়েছে প্রায় ৮৬ শতাংশ। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মনে করা হচ্ছে বিজেপি মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে ভোট কাটাকাটির অঙ্কে নির্ধারক ভূমিকা হয়তো নিতে পারে, কিন্তু জয়ের কোনও সম্ভাবনাই বিজেপির দেখা যাচ্ছে না। আর এখানেই প্রবল হয়ে উঠছে বামেদের আশা। ২০১৯ সালে বামেদের ভোট ২১ শতাংশ কমেছিল এই কেন্দ্রে, কংগ্রেসের ভোট কমেছিল মাত্র পাঁচ শতাংশ। তৃণমূলের ভোট ১৯ শতাংশ বাড়লেও বিজেপির ভোট বেড়েছিল দশ শতাংশ। অর্থাৎ পরিসংখ্যানগতভাবে এবং গাণিতিক হিসেবে সুস্পষ্ট, মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের যে ভোটাররা ২০১৪ সালে বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিলেন, তাঁদের একটা অংশ ২০১৯ সালের ভোটে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন । এই ভোট যদি সিপিএমের দিকে ফেরে, তাহলে জয় অনিশ্চিত হয়ে যাবে তৃণমূলের প্রার্থী ও গত লোকসভার বিজয়ী প্রার্থী আবু তাহেরের। বাম ও কংগ্রেসের ভোট ফিরে এলে মহম্মদ সেলিমের জয় পাওয়াও আশ্চর্য কিছু হবে না। আর তাই প্রার্থীদের মনোবল বাড়ানো ও চাঙ্গা করার দাওয়াই নিজের মত করে ছড়াচ্ছেন সেলিম ও অধীর চৌধুরী।
এ প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, এবারের লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গে সিপিএম প্রার্থীদের মধ্যে জয়ের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রয়েছে মহম্মদ সেলিমেরই। বামফ্রন্ট গতবার লোকসভা নির্বাচনে একটি আসনও জেতেনি। বঙ্গে আবার খাতা খোলার জন্য বাম তথা সিপিএমের সবচেয়ে বড় বাজি মহম্মদ সেলিম। আবু তাহেরও পিছিয়ে নেই। মহম্মদ সেলিম ও সেকথা জানেন। জানেন বলেই তিনি তাঁর কেন্দ্রে প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করে ফেলেছেন আবু তাহেরকে। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং লক্ষীর ভাণ্ডারের বিরুদ্ধে বারবার সরব হচ্ছেন তিনি। ভবিষ্যতের কাজের ভাবনার চেয়ে তৃণমূলের ভুলত্রুটি, দুর্নীতি এবং লক্ষীর ভান্ডারকে সুকৌশলে মিশিয়ে দিচ্ছেন পোড়খাওয়া সিপিএম প্রার্থী।

আবু তাহেরের প্লাস পয়েন্ট তিনি মুর্শিদাবাদের ভূমিপুত্র এবং তিনি কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতির সুবাদে বিগত দুই দশক ধরে হাতের তালুর মত চেনেন মুশিদাবাদকে। সেলিমের মত তাঁকে অন্য দলের সমর্থনের উপরে নির্ভর করে থাকতেও হচ্ছে না । গত লোকসভা নির্বাচনে ৪১ শতাংশর ওপরে ভোট পাওয়া আবু তাহের জানেন, মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক অক্ষত রাখতে তৃণমূলের বাড়তি পাওনা বিজেপির তৃণমূলকে আক্রমণ। বিজেপি তৃণমূলকে যতই আক্রমণ করবে, ততই তৃণমূলের পায়ের তলায় মাটি শক্ত হওয়ার সম্ভাবনা অন্তত মুর্শিদাবাদের রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বিজেপিও তৃণমূলকেই আক্রমণ করে চলেছে। শুভেন্দু অধিকারী যথারীতি মুর্শিদাবাদ এসে নিশানায় রাখছেন তৃণমূল নেতৃত্বকে।
অন্যদিকে আবু তাহেরের প্রচারের অঙ্গ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের রূপায়ণ এবং এমপি ল্যাডের যথাযথ অর্থ খরচ। ভোটের আগে অন্তর্দ্বন্দ্ব যাই থাকুক, একজোট হয়েই লড়ছে তৃণমূল। আবু তাহেরের বিরুদ্ধে সরব হলেও হরিহরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ তাঁর হয়েই লোকসভা নির্বাচনের প্রচার করছেন। মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের বাকি বিধায়কদের সঙ্গে থাকা আবু তাহেরের শক্তি বাড়াচ্ছে। দীর্ঘ অসুস্থতা কাটিয়ে তিনি মাঠে ময়দানে দৌড়ালেও তিনি মনে করেন, যা কাজ করেছেন তিনি তার পরে আর দৌড়ানোর প্রয়োজন পড়ে না।
আপাতদৃষ্টিতে, অ্যাডভান্টেজ আবু তাহের হলেও মহম্মদ সেলিমও অঘটন ঘটানোর ক্ষমতা রাখেন। তবে তারজন্য বাম কংগ্রেস থেকে সরে যাওয়া ভোট ফিরতে হবে তাঁদের ঝুলিতে। সবমিলিয়ে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে সিপিএম -তৃণমূল টক্কর কাঁটায় কাঁটায়।।
কুর্সির লড়াই : মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্র
#2024loksabhaelections


More Stories
ব্রাজিলের জনবহুল এলাকায় আচমকাই ভেঙে পড়ল যাত্রীবাহী বিমান, পাইলট-সহ বিমানের ৬২ জন যাত্রীর মৃত্যু
অধীর চৌধুরী নিজে ডুবলেন, ইন্ডিয়া জোটকে ডোবালেন, বাঁচালেন এনডিএ ও বঙ্গ বিজেপিকে
INDIA Alliance: সরকার গঠন নয়, আপাতত ঐক্যবদ্ধ বিরোধী হিসাবেই সংসদে বসতে চায় ইন্ডিয়া জোট