Home » RG Kar student death : তরুণী চিকিৎসকের যৌনাঙ্গ সহ দশ জায়গায় ক্ষতচিহ্ন, আর কী মিলেছে পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্টে?

RG Kar student death : তরুণী চিকিৎসকের যৌনাঙ্গ সহ দশ জায়গায় ক্ষতচিহ্ন, আর কী মিলেছে পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্টে?

সময় কলকাতা ডেস্ক , ৯ অগাস্ট :  RG Kar student death  একের পর এক ভয়ংকর তথ্য সামনে আসছে আর জি করের  তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু ঘিরে । পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্টে  তরুণী ট্রেনি চিকিৎসকের সারা শরীরে ১০ টি ক্ষতচিহ্ন রয়েছে ।  পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্টে ,  চোখ,মুখ ছাড়াও তরুণী চিকিৎসকের যৌনাঙ্গে ও রয়েছে ক্ষত।  আরজিকর হাসপাতাল কাণ্ডে মৃত তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুর কারণ যতই সামনে আসছে , ততই বাড়ছে ধোঁয়াশা।

পুলিশ ছাড়াও ফরেনসিক রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী রহস্য বেড়েই চলেছে। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ এসকে সাহা জানিয়েছেন, তরুণী চিকিৎসকের গলায়ও ঠোঁটে, নাকে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। আগেই জানা গিয়েছিল বৃহস্পতিবার রাত ৩টে থেকে শুক্রবার সকাল ৬টার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে তাঁর৷ কিন্তু মৃত্যুর কারণ এবং নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই একের পর এক তথ্য সামনে আসছে। নিজের হাসপাতালেই ট্রেনি তরুণী চিকিৎসকের  মৃত্যুর পরতে পরতে রহস্য।

ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ এস কে সাহা জানিয়েছেন, কে নীল চাদর দিয়ে ঢাকা ছিল তরুণী চিকিৎসকের দেহ  সেই নীল চাদরের কিছু জায়গায় রক্তের দাগ পাওয়া গিয়েছে৷পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, সেই নীল চাদরে রয়েছে প্রচুর চুল ও রক্ত। দেহ ‘অর্ধনগ্ন’ অবস্থায় মিলেছে। পরনের পোশাক, অন্তর্বাস ছিল অবিন্যস্ত। দেহের পাশে পড়েছিল পরনের নীল জিন্স ও একটি ভাঙা চুলের ক্লিপ৷

উল্লেখ্য, দেহের কলার বোনের কাছে ডান দিকে হাড়ের একটা অংশ ভাঙা৷ যদি কারও গলা হাত দিয়ে টেপা হয়ে থাকে সজোরে, এমন হাড় ভাঙতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা। তরুণী চিকিৎসকের চশমা ভাঙ্গা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে।

চিকিৎসকের মা অভিযোগ করেছেন, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে তার মেয়েকে। তার বক্তব্য, মানুষের সেবা করতে গিয়েই মরতে হল তার মেয়েকে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে হত্যার কথা না বললেও আত্মহত্যার প্রশ্ন উড়িয়ে দিচ্ছেন  তার পরিবার এবং  প্রতিবেশীরা। সোদপুরের ২২ বছরের তরুণীর  প্রতিবেশীরা বলেছেন, প্রাণোচ্ছল  তরুণী চিকিৎসক  কোনওভাবেই আত্মহত্যা করতে পারেন না।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই  তরুণীর মায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। এই ঘটনায় দোষী ছাড় পাবে না এই আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, আন্দোলনকারী  চিকিৎসকরা ৪৮ ঘণ্টার  সময়সীমা বেধে দিয়েছেন। এরমধ্যেই অপরাধীকে খুঁজে বার করতে হবে, নইলে তাদের আন্দোলন বৃহত্তর আকার নেবে, জানিয়েছেন তারা।

কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যেবেলা তিনি বেরোনোর সময়  মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে মন্তব্য করেননি।।

আরও পড়ুন সপ্তাহান্তে ফের যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা! দমদম জংশনে রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জেরে বাতিল একাধিক ট্রেন, জেনে নিন বিস্তারিত

About Post Author