Home » Mohun Bagan: হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে পঞ্জাবকে সাডেন ডেথে হারিয়ে ডুরান্ড সেমিফাইনালে মোহনবাগান

Mohun Bagan: হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে পঞ্জাবকে সাডেন ডেথে হারিয়ে ডুরান্ড সেমিফাইনালে মোহনবাগান

স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২৪ অগস্ট: চলতি ডুরান্ড কাপে কলকাতার দলগুলির মধ্যে টিকে রয়েছে একমাত্র মোহনবাগান। কোয়ার্টার ফাইনালে শিলং লাজংয়ের বিরুদ্ধে হেরে ইতিমধ্যে ছিটকে গিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার প্রায় হারের মুখ থেকে ফিরল মোহনবাগান। জামশেদপুরে পঞ্জাব এফসিকে হারাল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। নির্ধারিত সময়ে খেলা শেষ হয় ৩-৩ গোলে। প্রতিযোগিতার নিয়ম মেনে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। প্রথম পাঁচ শটের মধ্যে দুটি দল একটি করে শট নষ্ট করে। সাডেন ডেথে পঞ্জাবের ধনচন্দ্রের শট বাঁচিয়ে দেন মোহনবাগান গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। শেষ শটে টম অ্যালড্রেড গোল করতেই মোহনবাগানের সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা পরিষ্কার হয়ে যায়।

ইন্ডিয়ান সুপার লিগে অপেক্ষাকৃত নবাগত পঞ্জাব এফসিকে কি গুরুত্ব দিতে চাননি মোহনবাগান কোচ হোসে মলিনা? নাকি, নিজের দল নিয়ে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভুগছেন তিনি? কারণ গুরুত্বপুর্ণ ম্যাচে দলের বেশিরভাগ তারকাকে বাইরের রাখার ঝুঁকি তিনি কেন নিলেন বোঝা গেল না। দুই বিদেশী ডিফেন্ডার অ্যালড্রেড ও আলবার্তোকে রেখে ৩-৪-৩ ছকে দল সাজিয়েছিলেন মোহন কোচ। সামনে সুহেল ভাটের সঙ্গে রেখেছিলেন গ্রেগ স্টুয়ার্টকে। প্রথম থেকে যদিও আক্রমণ বেশি করছিল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। প্রতি আক্রমণে পাল্টা মোহন রক্ষণে চাপ তৈরি করছিল পঞ্জাবও। কিছুটা চাপে পড়েই বক্সের মধ্যে বিনীত রাইকে ট্যাকেল করেন আলবার্তো। পঞ্জাবকে পেনাল্টি দেন রেফারি। গোল করতে ভুল করেননি লুকা। বিরতির আগেই সেই গোল শোধ করে মোহনবাগান। বাঁ দিক থেকে নিখুঁত পাস বাড়িয়েছিলেন লিস্টন। সেই বলে বাঁ পায়ের দুর্বল শট মারেন স্টুয়ার্ট। কিন্তু সুহেলের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে বল জড়িয়ে যায় জালে।

আরও পড়ুন: Anwar Ali: আনোয়ার নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলেই রইল

বিরতির পর দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করেন মোহন কোচ। রক্ষণে শুভাশিস বসুকে নামিয়ে দেন। আক্রমণে নামান কামিংস এবং মনবীরকে। মোহনবাগানের আক্রমণেও বৈচিত্র্য আসে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মনবীর। সাহালের পাস ধরে বিপক্ষের বক্সে ঢুকে বল জালে জড়িয়ে দেন সবুজ মেরুনের পঞ্জাবী ফুটবলার। এগিয়ে যায় মোহনবাগান। যদিও লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি মলিনা ব্রিগেড। ৬৩ মিনিটের মাথায় গোল করে পঞ্জাবকে খেলায় ফেরান ফিলিপ। আট মিনিটের মধ্যে আবারও গোল হজম করে মোহনবাগান। বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন ভিদাল। কিন্তু তারপরেও হাল ছাড়েনি ম্যারিনার্সরা। ৭৯ মিনিটে কলকাতার অন্যতম প্রধানকে সমতায় ফেরান জেসন কামিংস। শেষ পর্যন্ত জিতে ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল মোহনবাগান।

About Post Author