Home » বিরল প্রজাতির সাপ অবাক করেছে কালনার সর্পবিশারদকে

বিরল প্রজাতির সাপ অবাক করেছে কালনার সর্পবিশারদকে

সুজয় ভট্টাচার্য, সময় কলকাতা, ২৫ আগস্ট : নয় নয় করেও  বেশ কয়েক যুগ ধরেই সাপ ধরে চলেছেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার সর্পপ্রেমী শিবেন সরকার। পেশা নয় নেশা। তিনি সাপুড়ে পরিবারের মানুষ নন, তবুও প্রায়-বার্ধক্যে উপনীত শিবেনবাবু ইতিমধ্যেই ১২, ০০০ সাপ ধরেছেন। সাপকে ভালোবেসে বাস্তু তন্ত্রকে রক্ষা করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।বাড়ি থেকে দূরদূরান্ত থেকেও সাপ ধরতে তাঁকে ডাকা হয়। বিভিন্ন জাতি ও প্রজাতির সাপ ধরে এক লহমায় তিনি বলে দিতে পারেন সাপের চরিত্র ও প্রজাতি। দুর্লভ সব সাপকেও তিনি হাতের তালুর মত চেনেন। অথচ এবার তিনি নিজেই হতচকিত হয়ে গেলেন। নিজের শহুর কালনাতেই এমন সাপের খোঁজ পেলেন যার পরিচয় কস্মিনকালে তিনি পাননি। বিরল প্রজাতির সাপটি রঙে ও চারিত্রিকভাবে  একেবারেই অবাক করে দেওয়ার মত!

কালনাতেই এক আশ্চর্য সাপের খোঁজ মিলতেই ডাক পড়েছিল শিবেনবাবুর। সর্পপ্রেমী ও সর্পবিশারদ শিবেনবাবু সাপকে অক্ষত অবস্থায় পাকড়াও করলেন ঠিকই কিন্তু তিনি তাজ্জব!  তিনি জানালেন, এরকম অভিনব ও রংবিরঙ্গী সাপ তিনি কখনও দেখেন নি। কালনায় এরকম সাপ এল কি করে তার ব্যাখ্যাও তার অজানা ।

খুবই দক্ষ হাতে সাপ ধরে যত্নকরে বাঁচিয়ে রেখেছেন সর্পপ্রেমী শিরেন সরকার । সাপের গায়ে আঁচ আসতে তিনি দেবেন না। অপেক্ষা করছেন বন দফতরের, তাদের হাতে তুলে দেবেন তিনি বিরল ও দুষ্প্রাপ্য সাপ। এরকমটাই তিনি করে থাকেন। তবে এবার তাঁর আগ্রহ অন্যমাত্রার। সাপটির সম্পর্কে জানতে চান তিনি।

শিবেনবাবু বলছেন, খুব বড় মাপের বিশেষজ্ঞ ছাড়া সাপের এই প্রজাতিকে নিরূপণ করা অসম্ভব। আপাততদৃষ্টিতে সাপটিকে তাঁর ভয়ংকর বিষধর বলেই মনে হয়েছে। তিনি এখন জানতে চান এই বিরল প্রজাতির সাপটির বিশেষত্ব।  বিরল প্রজাতির সাপ ধরে সর্প বিশারদের ঘোর কাটছে না!

আরও পড়ুন আরজিকর হাসপাতালে হামলার ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ

About Post Author