স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ২৮ অগস্ট: ডুরান্ড কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল মোহনবাগান । মঙ্গলবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বেঙ্গালুরু এফসিকে হারিয়ে দিল তারা। যদিও এদিন দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছিল হোসে মলিনার ছেলেরা। দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোল শোধ করে খেলায় ফেরে ম্যারিনার্সরা। নির্ধারিত সময়ের শেষে ফল ছিল ২-২। খেলা টাইব্রেকারে গড়ালে মোহনবাগানের তিন কাঠির নিচে দুর্ভেদ্য হয়ে ওঠেন মোহনবাগান গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। বেঙ্গালুরুর চতুর্থ ও পঞ্চম শট আটকে দিয়ে দলকে জেতালেন তিনি।

কোয়ার্টার ফাইনালে ঘরের মাঠে খেলতে পারেনি মোহনবাগান। দল সেমিফাইনালে উঠতেই মাঠে হাজির হয়েছিলেন হাজার হাজার মোহন সমর্থক। কিন্তু প্রথমার্ধে দলের খেলা মন ভরাতে পারেনি। এদিন কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম একাদশে ছ’টি বদল করেন মোহন কোচ। জেসন কামিংস, দিমিত্রি পেত্রাতোস ও অপুইয়াকে শুরু থেকে খেলান মোলিনা। তাতেও বিশেষ সুবিধে করতে পারলেন না তাঁরা। প্রথমার্ধের অধিকাংশ সময়ে পরিকল্পনাহীন ফুটবল খেলে সবুজ মেরুন ব্রিগেড। রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হল অ্যালড্রেড, শুভাশিসদের। ৪৩ মিনিটে পিছিয়ে পড়ে মোহনবাগান। পেনাল্টি থেকে গোল করে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দেন সুনীল ছেত্রী। অনিরুদ্ধ থাপার ক্রস থেকে আলবার্তোর হেড পোস্টে লেগে না ফিরলে প্রথমার্ধেই সমতা ফেরাতে পারত মোহনবাগান।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবার গোল হজম করে গত বারের ডুরান্ড জয়ীরা। স্বাগতিকদের রক্ষণের মারাত্মক ভুলের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন বিনিথ। পরিবর্ত হিসেবে নেমে একটি গোল শোধ করার সুযোগ পেয়েছিলেন গ্রেগ স্টুয়ার্ট। বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুল করেন বেঙ্গালুরুর গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিং সাধু। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে পারেননি স্টুয়ার্ট। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচে ফেরে মোহনবাগান। ৬৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করেন পেত্রাতোস। কিন্তু সমতাসূচক গোল পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছিল মোহনবাগানকে। সেই কাজটি করলেন অনিরুদ্ধ থাপা। ৮৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে গোল করেন। দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না গুরপ্রীতের। শেষের দিকে গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেনি মোহনবাগান। অবশেষে টাইব্রেকারে জিতে প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌঁছে গেল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা।


More Stories
শক্তিশালী দল গড়ছে মোহনবাগান, রেকর্ড অর্থে এলেন ছাঙতে
আর্জেন্টিনা এখন টিএমসির মতো : দিলীপ ঘোষ
বিশ্বকাপের নতুন মারাদোনা কে?