Home » Arvind Kejriwal: জেল মুক্তির পরেই বড় সিদ্ধান্ত আপ সুপ্রিমোর! দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ, লোক দেখানো বলে কটাক্ষ বিজেপি-কংগ্রেসের

Arvind Kejriwal: জেল মুক্তির পরেই বড় সিদ্ধান্ত আপ সুপ্রিমোর! দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ, লোক দেখানো বলে কটাক্ষ বিজেপি-কংগ্রেসের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৫ সেপ্টেম্বরঃ  আফগারি দুর্নীতি মামলায় ছ’মাস কারাবাসের পর তিহাড় জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। জামিনে বেরিয়েই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। দু’দিন পরেই করবেন পদত্যাগ। রবিবার দুপুরে দলীয় এক সম্মেলনে আম আদমি পার্টির প্রধান জানিয়েছেন, এবার পুনরায় ভোটে না জেতা পর্যন্ত আর মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসবেন না তিনি। একই সিদ্ধান্ত দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ারও। পরের বিধানসভায় জিতে তবেই পদে ফিরতে চান তিনিও। সমাজ মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন মণীশ। এবার জনতার আদালতেই হবে বিচার। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের পাঁচ মাস আগে তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের অনেকে। তবে এই নিয়ে আপ প্রধানকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা।

আরও পড়ুনঃRG Kar Doctor Rape-Murder Case: “কলকাতা পুলিশ হায় হায়”, সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের করতেই অভিজিৎকে লক্ষ্য করে স্লোগান বিক্ষুদ্ধ জনতার

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে শুক্রবার জামিন পেয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। তবে লোকসভা ভোটের আগে যেভাবে তাঁকে শুধুমাত্র দলীয় প্রচারের স্বার্থে বাইরে আসতে দিয়েছিল আদালত। এই জামিনও তেমনই শর্তসাপেক্ষ। জেল থেকে মুক্তি পেলেও তিনি কোনও সরকারি নথিতে স্বাক্ষর করতে পারবেন না। লোকসমক্ষে আফগাড়ি মামলার বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করাও নিষেধ। এমনকি আদালত তাঁকে নিজের দফতরে যেতেও বারণ করেছে।

আরও পড়ুনঃ পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা

জামিনে বাইরে আসার পর থেকেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে শুনতে হয়েছে বিরোধীদের কটাক্ষ। বিজেপি নেতা হরিশ খুরানা কোর্টের একাধিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, “তিনি দফতরে যেতে পারবেন না, নথিতে সই করতে পারবেন না। দিল্লির মানুষ জানতে চাইছে, তা হলে তিনি পদে থেকে করবেন কী?” তাঁর কথায় কেজরিওয়ালের কাছে জেল থেকে ছাড়া পাওয়াটা সামনে রাখা সেই রসগোল্লা, যা চোখের সামনে থাকলেও খাওয়ার অধিকার থাকে না। খোঁচা দিতে ছাড়েনি হাত শিবিরও। কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেছেন, “কেজরী জেল থেকে বেরিয়ে তথ্য প্রমাণ লোপাট করতে পারে, সেইজন্যই আদালত জামিন দিয়েও এত শর্ত আরোপ করেছে। আর এখন যে ইস্তফা দেওয়ার কথা উনি বলছেন সেটা জনতার আই ওয়াশ করার চেষ্টা।”

About Post Author