সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ সেপ্তেম্বরঃ জামিনে জেলমুক্তির পরেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা বলেছিলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবিষয়ে মুখ খুললেন আন্না হাজারে। একটা সময় দিল্লির রামলীলা ময়দানে দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলন করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তিনি। সেই আন্দোলন থেকেই ভারতীয় রাজনীতিতে উত্থান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। কেজরির রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথা শুনে নাকি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন গান্ধীবাদী এই সমাজকর্মী। তাঁর মন্তব্য, “আমার কথা শোনেনি কেজরি, ওঁকে প্রথমেই বারণ করেছিলাম রাজনীতিতে যোগ দিতে।”

আন্না হাজারের সংযোজন, “আত্মতৃপ্তি একমাত্র সমাজসেবাতে সম্ভব। তাই অনেক আগেই কেজরিকে রাজনীতি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছিলাম। একাধিকবার বলেছিলাম সে যাতে কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ না দেয়। কিন্তু আমার কথা পাত্তা দেননি। আমার উপদেশে কান না দেওয়া তাঁর ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। তবে এখন তিনি কী ভাবছেন? কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন, বা তাঁর মনে কী চলছে তা আমার জানা নেই।তবে যা ঘটেছে তা আমার মতে অনিবার্য ছিল।” এর আগে আবগারি দুর্নীতি মামলায় যখন অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার হয়েছিলেন তখনও মুখ খুলেছিলেন গান্ধীবাদী নেতা। সেবার তাঁর বক্তব্য ছিল, “আমি হতাশ যে, অরবিন্দ আবগারি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন। এই মানুষটা এক সময় মাদকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। ওঁর থেকে এধরনের আচরণ আশা করিনি। ভাবলেও খারাপ লাগে এই মানুষটার সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছি।”
আরও পড়ুনঃ ফের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ যোগী-রাজ্যে, নারী সুরক্ষা কোথায়? কটাক্ষ বিরোধীদের
উল্লেখ্য, আফগারি দুর্নীতি মামলায় ছ’মাস কারাবাসের পর তিহাড় জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। যদিও এই জামিন একাধিক শর্তসাপেক্ষ। জামিনে বেরিয়েই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। কয়েক ঘন্টা পরেই করবেন পদত্যাগ। রবিবার দুপুরে দলীয় এক সম্মেলনে আম আদমি পার্টির প্রধান জানিয়েছেন, পুনরায় ভোটে না জেতা পর্যন্ত আর মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসবেন না। জনতার আদালতেই বিচার চেয়েছেন তিনি।


More Stories
অহংকার মমতার পতনের কারণ বললেন জগন্নাথ দয়িতাপতি
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ