সময় কলকাতা ডেস্ক, ১ অক্টবর: আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্য তথা দেশ জুড়ে একাধিক জায়গায় আন্দোলনে নামতে দেখা গিয়েছে সাধারণ মানুষকে। গড়ে উঠেছে প্রতিরোধ মিছিল। রবিবার সেরকমই এক মিছিলের আয়োজন করেছিল যাদবপুরের এক সংগঠন। ওই মিছিলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন পড়ুয়া সহ একাংশের মুখে স্লোগান শোনা গিয়েছিল ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’। এদিন তা নিয়ে তীব্র আপত্তি প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। মিছিল সম্পর্কে একাধিক তথ্য চেয়ে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। নির্দেশ অনুযায়ী এদিন সেই রিপার্ট দিল্লিতে পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তবাহিনীর কর্তারা।

আরও পড়ুন: ফের পূর্ণ কর্ম বিরতিতে জুনিয়র চিকিৎসকরা, এবার ১০ দফা দাবি সরকারের কাছে
জানা গিয়েছে, মিছিল সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য তদন্তকারীদের খতিয়ে দেখতে বলেছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। কে বা কারা এই স্লোগান তুলেছিল, মিছিলের উদ্যোক্তা কারা, স্লোগান দেওয়া ব্যক্তিরা কোন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত না বিক্ষিপ্ত ভাবে ওই স্লোগান তোলা হয়েছিল, এ রকম কয়েকটি বিষয় জানতে চেয়েছেন অমিত শাহ। প্রাথমিক ভাবে যাবতীয় রিপোর্ট সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে দিল্লিতে। তবে এই বিষয়ে আরও তদন্ত চলছে, নতুন তথ্য পেলে ফের রিপার্ট পাঠানো হবে দিল্লিতে।
আরজি কর কাণ্ডের প্রতিরোধে রবিবার রাতে যাদবপুরে হয়েছে এই মিছিল। সেখানে ‘তিলোত্তমার বিচার চাই’, ‘উই ডিমান্ড জাস্টিস’ এছাড়াও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে একাধিক স্লোগান লেখা ব্যানার দেখা গিয়েছে। সেই মিছিলেই একাংশের মুখে ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশের তরফে পাটুলি থানায় দেশদ্রোহিতার অভিযোগ দায়ের করেছে। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা ও ৩৫এ অনুচ্ছেদের বিলুপ্তির পর এবছর প্রথম বিধানসভা নির্বাচন চলেছে উপত্যকায়। এমতবস্থায় বাংলা থেকে এই ধরনের রাষ্ট্র-বিরোধী স্লোগানকে প্রশয় দিতে নারাজ কেন্দ্র। এই স্লোগানের নেপথ্যে থাকা ১৫-২০ জনকে চিহ্নিত করে ছবি সমেত বিস্তারিত তথ্য শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠিয়ে দিয়েছেন গোয়েন্দারা। যে তালিকায় রয়েছেন যাদবপুরের একাধিক প্রাক্তনীরা।


More Stories
তোমার বিছানায় নাচি নি,দরকার হলে ওটাও করব: মমতাকে হুমকি দিলীপের
বুদ্ধিজীবীদের মাথায় ডিম ভাঙুন , নিদান দিলীপ ঘোষের
বারুইপুর ‘এনকাউন্টার’: কর্মের ফল নাকি “সকালে জমা, বিকেলে খরচ!”