সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩ অক্টোবরঃ তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভের মুখে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে সিইউ ক্যাম্পাসে যান রাজ্যপাল। ক্যাম্পাসে প্রবেশের আগে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখায় রাজ্যের শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। রাস্তার দু’ধার থেকে ওঠে গো ব্যাক স্লোগান। দেখানো হয় কালো পতাকা।

বৃহস্পতিবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যান রাজ্যপাল তথা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সিভি আনন্দ বোস। ক্যাম্পাসে প্রবেশের আগেই তাঁকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। বিক্ষোভকারী ছাত্রদের অভিযোগ, মানপত্র তুলে দেওয়ার নামে ঘুরপথে সমাবর্ত অনুষ্ঠান পালন করার চেষ্টা করছেন আচার্য। কারণ পূর্ণ সময়ের উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপকদের প্রবেশের ক্ষেত্রেও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলেছেন শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। তাদের দাবি এই অনুষ্ঠানে প্রবেশের অধিকার দেওয়া হয়েছে হাতেগোনা কয়েকজন অধ্যাপককে। বুধবারই এই বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল রাজ্যের শাসকদলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি।
আরও পড়ুনঃ টালিগঞ্জে ‘রাত দখল’ কর্মসূচিতে দুষ্কৃতী হামলা, উচ্চ আদালতে মামলার আর্জি তৃণমূলের বিরুদ্ধে
আরও পড়ুনঃ ছাত্র মৃত্যুর প্রতিবাদে রাতভর ধর্নায় রুপা, সকাল হতেই বিজেপি নেত্রীকে গ্রেফতার করল পুলিশ
আরও পড়ুনঃ OPTICAL ILLUSION: প্রখর দৃষ্টিশক্তি দিয়ে নিচের ছবি দুটি থেকে ৫০ সেকেন্ডে তিনটি পার্থক্য খুঁজে দেখান
সাধারণত, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের কাজটি করে থাকে সার্চ কমিটি। বর্তমানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও স্থায়ী উপাচার্য নেই। ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন শান্তা দত্ত। উপাচার্য নিয়ে অতীতে রাজভবনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছিল রাজ্য সরকার। সংঘাতের জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। গত ৮ জুলাই দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দেয় আগামী তিনমাসের মধ্যে উপাচার্য নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইউইউ ললিতের নেতৃত্বে তিন সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দেয় দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়। যেই কমিটির মাথায় থাকবেন ইউইউ ললিত। প্রয়োজনে আরও চারজন বিশেষজ্ঞকে কমিটিতে রাখতে পারেন চেয়ারম্যান।


More Stories
পাটুলিতে শুট আউট, নিহত যুবক
বোমা-বন্দুক আনব, তৃণমূল নেতাদের গণপিটুনির হুঙ্কার দিলীপ ঘোষের
জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ কতটা সম্ভবপর?