স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৯ ডিসেম্বরঃ অ্যাডিলেড টেস্টে ভারতের শোচনীয় পরাজয়ের পর মহম্মদ শামিকে দলে ফেরানো নিয়ে জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনাকে আরও জোরালো করলেন ভারতের অভিজ্ঞ পেসার। সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফির প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলার চণ্ডীগড়কে হারানোর নেপথ্যে রয়েছেন শামি।

সোমবার বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টসে জিতে বাংলাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চণ্ডীগঢ়। লক্ষীরতন শুক্লার দলরে শুরুটা একদম আশাপ্রদ হয়নি। দ্বিতীয় ওভারে দুটি উইকেট হারায় তারা। প্রতিযোগিতায় দুরন্ত ফর্মে থাকা অভিষেক পোড়েল (৮) ও অধিনায়ক সুদীপ কুমার ঘরামিকে (0) দুই বলের ব্যবধানে ফেরান জগজিৎ সিং। নিজের পরের ওভারে সাকির গান্ধিকেও (১০) তুলে নেন তিনি। চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন করণ লাল ও ঋত্বিক চ্যাটার্জী। ৪০ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। ১২ বলে ২৮ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে আউট হন ঋত্বিক। দুটি চার ও তিনটি ছয় মারেন তিনি। করণ লাল ২৫ বলে ৩৩ রানে সাজঘরে ফেরেন। বাংলার দুই থিতু ব্যাটারকে ফেরান রাজ বাওয়া। আট নম্বরে নেমে দলের স্কোরবোর্ডকে এগিয়ে নিয়ে যান প্রদীপ্ত প্রামাণিক। ২৪ বলে ৩০ রানের লড়াকু ইনিংস খেলেন। তবে এদিন সবাইকে ছাপিয়ে গিয়েছেন মহম্মদ শামি। হাঁটুতে অস্ত্রপচার না হলে এখন তিনি অস্ট্রেলিয়ায় থাকতেন রোহিত, বিরাটদের সঙ্গে। কিন্তু ফিটনেস ফিরে পেতে বর্তমানে ঘরোয়া ক্রিকেটে মন দিয়েছেন ভারতীয় পেসার। চণ্ডীগঢ়ের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী ব্যাটিং করতে দেখা গেল তাঁকে। ১৭ বলে অপরাজিত ৩২ রানের ইনংস খেললেন। মারলেন তিনটি চার ও দুটি ছয়। শেষ উইকেটে তাঁর দাপুটে ব্যাটংয়ে ভর করে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তোলে বাংলা।
আরও পড়ুনঃ World Test Championship: ভারত কি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলতে পারবে?
জবাবে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫৬ রানে শেষ হয়ে যায় চণ্ডীগড়ের ইনিংস। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩২ রানের ইনিংস খেলেন রাজ বাওয়া। প্রদীপ যাদব ২৭ রান করেন। ওপেনার মনন বোহরার ব্যাট থেকে আসে ২৩ রান। বাংলার হয়ে সফল বোলার সায়ন ঘোষ। ৩০ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। কনিষ্ক শেঠ নেন ২ উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মহম্মদ শামি ও শাহবাজ আহমেদ। শেষ পর্যন্ত চণ্ডীগড়কে ৩ রানে হারিয়ে প্রতিযোগিতার কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেলেন সুদীপরা।


More Stories
ইস্টবেঙ্গলে এলেন বিদেশী তারকা স্ট্রাইকার এফিয়ং
শক্তিশালী দল গড়ছে মোহনবাগান, রেকর্ড অর্থে এলেন ছাঙতে
আর্জেন্টিনা এখন টিএমসির মতো : দিলীপ ঘোষ