সময় কলকাতা ডেস্ক:- ২০১০ সালে সাব-ইন্সপেক্টর হন রিটন দাস। এই মুহূর্তে তার ছবি সমস্ত সামাজিক মিডিয়ায় ভাইরাল। কসবায় শিক্ষকদের ডিআই অফিস ঘেরাও অভিযানে শিক্ষকদের লাথি মারে পুলিশ। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত রিটন। তাঁর লাথি মারার ছবিই সংবাদ মাধ্যমের পর্দায় ছড়িয়ে পড়েছে। নানা ভাবে ভাইরাল হয়েছে সেই ছবি। কটাক্ষ উড়ে এসেছে এই পুলিশ কর্মীকে কেন্দ্র করে। প্রশ্ন উঠেছে তার শিক্ষা নিয়েও।
যদিও ছেলের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন তাঁর বাবা জ্যোতিন্দ্র কুমার দাস ও মা দিপালী দাস। শুক্রবার গোসাবার শম্ভুনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাউখালির বাড়িতে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তাঁরা জানান আইন রক্ষা করতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। নিজের প্রাণ বাঁচাতেই লাথি মারতে বাধ্য হয়েছেন রিটন। কারণ আগে রিটনের জামাকাপড় ধরে টানাটানি, উর্দি খুলে নেওয়ার চেষ্টা ও তাকে নানাভাবে হেনস্থা করা হয়েছে, বলে দাবি তাঁর পরিবারের।
প্রায় পনেরো ষোল বছর আগে কলকাতা পুলিশে চাকরি পান রিটন। বছর দশ বারো ধরে কলকাতাতে থাকেন তিনি। বর্তমানে বাঁশদ্রোনি থানা এলাকায় পুলিশ কোয়াটারে স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে থাকেন। ছুটি পেলে গোসাবার বাড়িতেও আসেন। এলাকায় ভালো ছেলে বলেই পরিচিত সে। ছোট থেকেই পড়াশুনায় ভালো। ছোটবেলার খেলার সঙ্গীরাও এই ঘটনায় স্তম্ভিত।
গত বছর নির্বাচনের সময় যে বদলির নির্দেশিকা প্রকাশ হয়েছিল সেই সময় কসবা থানায় পোস্টিং দেওয়া হয় রিটন দাসকে। তার আগে নিউ আলিপুর থানায় ছিলেন। মাস খানেক এআরও হিসেবে কাজ করেছিলেন নিউ আলিপুর থানায়। তার আগে বেহালা থানায় পোস্টিং ছিলেন।
অফিসার হিসেবে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন বেহালা ও নিউ আলিপুর থানায়। বেহালার জেমস লং সরনিতে ফ্রিজারের মধ্যে তিন বছর ধরে মায়ের দেহ আগলে রাখার ঘটনার কেসে তদন্তকারী অফিসার ছিলেন রিটন। নিউ আলিপুরে কর্মরত অবস্থায় এক অভিজাত আবাসনে চুরির ঘটনার কিনারা করেছিলেন। জলন্ধর থেকে গ্রেফতার করে এনেছিলেন অভিযুক্তকে।


More Stories
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
বোমা-বন্দুক আনব, তৃণমূল নেতাদের গণপিটুনির হুঙ্কার দিলীপ ঘোষের
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী