সময় কলকাতা ডেস্ক:- বাংলাদেশে সনাতনী নেতা ভবেশচন্দ্র রায়েকে অপহরণ করে খুনের অভিযোগে প্রবল শোরগোল পড়েছে। ইউনূস জমানায় ওপার বাংলায় সংখ্যালঘু নির্যাতনের একের পর এক অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ফের একবার অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এ বার এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারতও।
ভারতের এই কড়া বার্তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই মুর্শিদাবাদের হিংসা নিয়ে বড় বড় কথা বলেছিল বাংলাদেশের ইউনূস সরকার। পাল্টা ঢাকাকে অবশ্য ঘর সামলানোর বার্তা দিয়েছিল দিল্লি। এরই মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুরের বাসুদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা ভবেশচন্দ্র রায় (৫৫)-এর মৃত্যু ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তাঁকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে তাদের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। রণধীর জয়সওয়াল এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আবারও অন্তর্বর্তী সরকারকে স্মরণ করাচ্ছি, কোনও অজুহাত না দিয়ে বা পক্ষপাতিত্ব না করে বাংলাদেশের সমস্ত সংখ্যালঘু ও হিন্দুদের রক্ষা করার দায়িত্ব যেন তারা পালন করে।’
বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর ‘পরিকল্পনা মাফিক নির্যাতন’ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তিনি পোস্টে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘু নেতা ভবেশচন্দ্র রায়ের অপহরণ এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগের সঙ্গে আমরা নজর রেখেছিলাম। এই হত্যাকাণ্ড অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হিন্দু সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অন্যতম উদাহরণ। আগেও এই ধরনের ঘৃণ্য ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দোষীরা মুক্ত ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে।’


More Stories
অভিষেকের জন্য জেলে গিয়েছিলাম : অনুব্রত
আর পারলেন না, মমতার হয়ে মদনের লড়াই শেষ
কালীঘাটের তৃণমূলকে স্বস্তি দিল শহীদ দিবস পালনের অনুমতি